ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

২০২৫ এ ইসরায়েলে রেকর্ড সংখ্যক চুক্তির সাইনিং

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৫০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

২০২৫ সালে, ইসরায়েল বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যেখানে দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বড় আকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষ করে, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং সামরিক খাতে ইসরায়েল তার শক্তিশালী অবস্থান দৃঢ় করেছে

ইসরায়েল গত বছরে সবচেয়ে বড় জ্বালানি চুক্তিটি মিসরের সঙ্গে স্বাক্ষর করেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিসরকে ১৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে ইসরায়েল, যার মূল্য ৩,৫০০ কোটি ডলার। এই চুক্তির মাধ্যমে মিসরের উপর ইসরায়েলের জ্বালানি নির্ভরশীলতা আরও সুসংহত হবে।

গত বছর প্রযুক্তি খাতে ইসরায়েল ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। গুগল (অ্যালফাবেট) ৩,২০০ কোটি ডলারে ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘উইজ’ কিনছে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত হবে। এছাড়া এনভিডিয়া তাদের বৃহত্তম এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে, যা ইসরায়েলকে বিশ্বের শীর্ষ সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি, ইসরায়েলের তৈরি অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম ‘অ্যারো-৩’ সংগ্রহ করতে সাড়ে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে একক কোনো দেশ থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক রপ্তানি।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪,০০০ কোটি ডলার, যা মোট বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ। চীন, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে সক্রিয় ছিল।

এছাড়া, ইসরায়েল তাদের আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ফোন, কম্পিউটার, ভারী যানবাহন, খনিজ পণ্য, হীরা, সোনা, অপটিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে, ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ তকমা ব্যবহার করে ইসরায়েল তার সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী বিপুল চাহিদা তৈরি করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :

২০২৫ এ ইসরায়েলে রেকর্ড সংখ্যক চুক্তির সাইনিং

আপডেট সময় : ১২:৫০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

২০২৫ সালে, ইসরায়েল বৈশ্বিক বাণিজ্যে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, যেখানে দেশের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে বড় আকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশেষ করে, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং সামরিক খাতে ইসরায়েল তার শক্তিশালী অবস্থান দৃঢ় করেছে

ইসরায়েল গত বছরে সবচেয়ে বড় জ্বালানি চুক্তিটি মিসরের সঙ্গে স্বাক্ষর করেছে। ২০৪০ সাল পর্যন্ত লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্র থেকে মিসরকে ১৩০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করবে ইসরায়েল, যার মূল্য ৩,৫০০ কোটি ডলার। এই চুক্তির মাধ্যমে মিসরের উপর ইসরায়েলের জ্বালানি নির্ভরশীলতা আরও সুসংহত হবে।

গত বছর প্রযুক্তি খাতে ইসরায়েল ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে। গুগল (অ্যালফাবেট) ৩,২০০ কোটি ডলারে ইসরায়েলি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ‘উইজ’ কিনছে, যা ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত হবে। এছাড়া এনভিডিয়া তাদের বৃহত্তম এআই ডেটা সেন্টার স্থাপনের জন্য ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে রাজি হয়েছে, যা ইসরায়েলকে বিশ্বের শীর্ষ সাইবার নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তি হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি, ইসরায়েলের তৈরি অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সিস্টেম ‘অ্যারো-৩’ সংগ্রহ করতে সাড়ে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা ইসরায়েলের ইতিহাসে একক কোনো দেশ থেকে সবচেয়ে বড় সামরিক রপ্তানি।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪,০০০ কোটি ডলার, যা মোট বাণিজ্যের প্রায় ১৯ শতাংশ। চীন, তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, বেলজিয়াম এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে সক্রিয় ছিল।

এছাড়া, ইসরায়েল তাদের আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ফোন, কম্পিউটার, ভারী যানবাহন, খনিজ পণ্য, হীরা, সোনা, অপটিক্যাল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মাধ্যমে, ‘যুদ্ধে পরীক্ষিত’ তকমা ব্যবহার করে ইসরায়েল তার সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী বিপুল চাহিদা তৈরি করেছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।