ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo র‌্যাব-৯ ও র‌্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুলাই শহিদদের স্মরনে আলোচনা সভা Logo ধামরাইয়ে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় কূটনীতিকের বৈঠক, গুরুত্ব পেল বাণিজ্য-বিনিয়োগ Logo লিভার ও হৃদরোগে কর্মহীন কালাম, চিকিৎসার টাকার অভাবে বাঁচার আকুতি Logo বন্যার্তদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিল গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ফোরাম Logo বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের দায়িত্বে ড. রফিকুল ইসলাম Logo বিশ্বে বাড়ছে চীনের গ্রহণযোগ্যতা, কমছে যুক্তরাষ্ট্রের : প্রভাব পিউ জরিপ Logo ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর জিয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক মেজর মোজাফফর আটক Logo শাওমি নিয়ে এসেছে ফাইন্যান্স-গ্রেড এনক্রিপশন প্রটেকশন ফিচার যুক্ত স্মার্ট ক্যামেরা সি২০১ ও সি৩০১, আউটডোর ক্যামেরা সিডব্লিউ১০০ ডুয়েল

১৩০ পোশাক কারখানার কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ ২৩২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
রেডিমেড গার্মেন্টস ওনার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান জানান, ১৩০টি পোশাক কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, পোশাক কারখানায় কর্মরত কর্মচারী-শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কারখানার সম্পত্তির নিরাপত্তার স্বার্থে এসব কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে ‘ন্যূনতম মজুরি ও পোশাক শিল্পে বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মজুরি বাড়ানো সত্ত্বেও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কয়েকটি কারখানায় অজ্ঞাতপরিচয় কিছু অসাধু শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘট ও কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাংচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।

পরিস্থিতির কারণে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পদ রক্ষার জন্য কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। যেসব কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী সেখানে কাজ চলছে। তাদের কাজ চলবে।

শিল্প বৃদ্ধির পাশাপাশি বন্ধ কারখানার সংখ্যাও বাড়ছে। নানা সংকটে কারখানা বন্ধ। এ পর্যন্ত প্রায় ৬৮৮৫টি পোশাক কারখানা বিজিএমইএর সদস্যপদ গ্রহণ করলেও সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ৩ হাজার ৯৬৪টি সদস্য কারখানা। শুধুমাত্র করোনা মহামারীর কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩১৭টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছিল এবং অন্যান্য কারণে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে অক্ষমতার কারণে ২৬০টি কারখানা পরে বন্ধ হয়ে গেছে।

১৩০ পোশাক কারখানার কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
রেডিমেড গার্মেন্টস ওনার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান জানান, ১৩০টি পোশাক কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, পোশাক কারখানায় কর্মরত কর্মচারী-শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কারখানার সম্পত্তির নিরাপত্তার স্বার্থে এসব কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে ‘ন্যূনতম মজুরি ও পোশাক শিল্পে বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মজুরি বাড়ানো সত্ত্বেও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কয়েকটি কারখানায় অজ্ঞাতপরিচয় কিছু অসাধু শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘট ও কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাংচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।

পরিস্থিতির কারণে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পদ রক্ষার জন্য কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। যেসব কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী সেখানে কাজ চলছে। তাদের কাজ চলবে।

শিল্প বৃদ্ধির পাশাপাশি বন্ধ কারখানার সংখ্যাও বাড়ছে। নানা সংকটে কারখানা বন্ধ। এ পর্যন্ত প্রায় ৬৮৮৫টি পোশাক কারখানা বিজিএমইএর সদস্যপদ গ্রহণ করলেও সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ৩ হাজার ৯৬৪টি সদস্য কারখানা। শুধুমাত্র করোনা মহামারীর কারণে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩১৭টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছিল এবং অন্যান্য কারণে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বজায় রাখতে অক্ষমতার কারণে ২৬০টি কারখানা পরে বন্ধ হয়ে গেছে।