ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ইমনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ Logo বড়ইয়ায় নিজস্ব অর্থায়নে দেড় কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করলেন সমাজসেবক আতিকুর রহমান আতিক Logo অন্ধকারে নিমজ্জিত মিনি পর্যটনখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া টু বিজয়নগর সড়ক, ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা Logo বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম ১৭ মিনিট, শাকিরা-ম্যাডোনা-জাস্টিন বিবারের পারফরম্যান্স নিশ্চিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার গৃহবন্দী, ৩ দিন অনাহারে শিশুসহ পরিবারের ৬ সদস্য  Logo ধামরাইয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি Logo ইরান সংকটে ট্রাম্পের সামনে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা, বলছে নিউইয়র্ক টাইমস Logo রাজাপুরের বড়ইয়ায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের মতবিনিময় সভা Logo অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানববন্ধন

হিট স্ট্রোক এড়াতে সতর্ক থাকবেন যেভাবে

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩ ২৩৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। এ সময় হিট স্ট্রোক হতে পারে। এ ব্যাপারে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। আসলে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে শরীরও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
আর এ সময় শরীরে ক্লান্তি বোধের প্রধান কারণ হিট স্ট্রোক। বিশেষ করে যারা সারাদিন ঘরের মধ্যে কাজ করে তাদের মধ্যে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।
অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে যেকোনো সময় যে কোনো জায়গায় হিট স্ট্রোক হতে পারে। একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে শুষ্ক আবহাওয়ায় সবাই ঘেমে নেয়ে একাকার। অবিলম্বে চিকিৎসা না করা হলে হিট স্ট্রোক গুরুতর হতে পারে।

গরমে অনেক রোগ বাড়ে। তার মধ্যে একটি হল হিট স্ট্রোক। সবাই এর দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। আসুন জেনে নিই হিট স্ট্রোক কি?

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে তাকে হিট স্ট্রোক বলে। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রক্ত একটি ভূমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
কোনো কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ত্বকের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয় এবং অতিরিক্ত তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে দেয়। প্রয়োজনে ঘামের মাধ্যমে শরীরের তাপও কমে যায়।
তবে খুব গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে বা কাজ করলে তাপ নিয়ন্ত্রণ আর সম্ভব হয় না। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বিপজ্জনক সীমা ছাড়িয়ে যায় এবং হিট স্ট্রোক হয়।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী কী?

>> হিট ক্র্যাম্প (শরীরের পেশীতে ব্যথা)
>> শরীর দুর্বল লাগে
>>প্রচণ্ড পিপাসা পায়
>> দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
>> মাথাব্যথা
>> ঝিমঝিম করা
>> বমি বমি ভাব
>> অসংলগ্ন আচরণ
>> শরীরে প্রচুর ঘাম হয়
>> শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রির উপরে উঠে যায়
>> ঘাম বন্ধ হয়ে যায়
>> ত্বক শুষ্ক ও লাল হয়ে যায়
>> নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ বা দ্রুত হয়
>> রক্তচাপ কমে যায়
>> প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়
>> রোগী শক হয়ে যায়। এমনকি অজ্ঞান হতে পারে।

কীভাবে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করবেন?

>> হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। জামাকাপড় সাদা বা হালকা রঙের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো হয়।
>> যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতরে বা ছায়াযুক্ত জায়গায় থাকুন।
>> বাইরে যাওয়ার সময় টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন।
>> প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করুন। গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ উভয়ই নিঃসৃত হয়। তাই পানিতে রক সল্ট মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া খাবার স্যালাইন, ফলের রস, শরবত ইত্যাদিও পান করতে হবে।
>> চা বা কফি যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত।

হিট স্ট্রোক এড়াতে সতর্ক থাকবেন যেভাবে

আপডেট সময় : ০১:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি। এ সময় হিট স্ট্রোক হতে পারে। এ ব্যাপারে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। আসলে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করলে শরীরও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
আর এ সময় শরীরে ক্লান্তি বোধের প্রধান কারণ হিট স্ট্রোক। বিশেষ করে যারা সারাদিন ঘরের মধ্যে কাজ করে তাদের মধ্যে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি।
অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে যেকোনো সময় যে কোনো জায়গায় হিট স্ট্রোক হতে পারে। একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে শুষ্ক আবহাওয়ায় সবাই ঘেমে নেয়ে একাকার। অবিলম্বে চিকিৎসা না করা হলে হিট স্ট্রোক গুরুতর হতে পারে।

গরমে অনেক রোগ বাড়ে। তার মধ্যে একটি হল হিট স্ট্রোক। সবাই এর দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। আসুন জেনে নিই হিট স্ট্রোক কি?

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হলে তাকে হিট স্ট্রোক বলে। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রক্ত একটি ভূমিকা পালন করে। এ ক্ষেত্রে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
কোনো কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ত্বকের রক্তনালীগুলো প্রসারিত হয় এবং অতিরিক্ত তাপ পরিবেশে ছড়িয়ে দেয়। প্রয়োজনে ঘামের মাধ্যমে শরীরের তাপও কমে যায়।
তবে খুব গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলে বা কাজ করলে তাপ নিয়ন্ত্রণ আর সম্ভব হয় না। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত বিপজ্জনক সীমা ছাড়িয়ে যায় এবং হিট স্ট্রোক হয়।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী কী?

>> হিট ক্র্যাম্প (শরীরের পেশীতে ব্যথা)
>> শরীর দুর্বল লাগে
>>প্রচণ্ড পিপাসা পায়
>> দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস
>> মাথাব্যথা
>> ঝিমঝিম করা
>> বমি বমি ভাব
>> অসংলগ্ন আচরণ
>> শরীরে প্রচুর ঘাম হয়
>> শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রির উপরে উঠে যায়
>> ঘাম বন্ধ হয়ে যায়
>> ত্বক শুষ্ক ও লাল হয়ে যায়
>> নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ বা দ্রুত হয়
>> রক্তচাপ কমে যায়
>> প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়
>> রোগী শক হয়ে যায়। এমনকি অজ্ঞান হতে পারে।

কীভাবে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করবেন?

>> হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। জামাকাপড় সাদা বা হালকা রঙের হতে হবে। সুতি কাপড় হলে ভালো হয়।
>> যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতরে বা ছায়াযুক্ত জায়গায় থাকুন।
>> বাইরে যাওয়ার সময় টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন।
>> প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল পান করুন। গরমে ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ উভয়ই নিঃসৃত হয়। তাই পানিতে রক সল্ট মিশিয়ে খেতে পারেন। এ ছাড়া খাবার স্যালাইন, ফলের রস, শরবত ইত্যাদিও পান করতে হবে।
>> চা বা কফি যতটা সম্ভব কম খাওয়া উচিত।