ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

হরতালে বাসে আগুন দেওয়া রশিদের লাশ লালপুরে দাফন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩ ১৫৯ বার পঠিত

লালপুর প্রতিনিধি:
বিএনপি-জামায়াতের হরতালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় ছাদ থেকে পড়ে নিহত আব্দুর রশিদের মরদেহ নাটোরের লালপুরে নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

আজ উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের নাগদহ (শোভ) গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রোববার রাতে নিহতের ভাই রাকিবুজ্জামান বাবু লাশ গ্রহণ করেন। সকাল ৯ টার দিকে মরদেহটি লালপুরে বাড়িতে এসে পৌঁছায়। লালপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মৃত আব্দুর রশিদ উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড নাগদহ গ্রামের মৃত মো. খলিল সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকার আদাবর থানা বিএনপির ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি আদাবর থানার সাবেক যুবদল নেতা ছিলেন। তিনি আদাবরে স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে সুনিবিড় হাউজিংয়ে ভাড়া থাকতেন।

জানা যায়, রোববার সকাল ১০টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের হরতালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার আসাদ এভিনিউয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের কাছে ‘পরিস্থান পরিবহন’ এর একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছিলেন রশিদ। আগুন দেওয়ার পর রাস্তার লোকজন ধাওয়া দিলে তিনি জাকির হোসেন রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে গিয়ে ওঠেন। বেলা ১২টার দিকে ওই ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে মৃত্যু হয়। বাসে আগুন দেওয়ার ওই ঘটনায় দুই যাত্রী দগ্ধ হন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আগুনে ওই বাসের সবগুলো সিট পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।

নিহতের ভাই রাকিবুজ্জামান বাবু দাবি, তার ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে বলে পুলিশ তার কাছ থেকে লিখে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আব্দুর রশিদ ঢাকার আদাবর থানাধীন ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করে সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, আব্দুর রশিদ অনেক বছর ধরেই ঢাকায় বসবাস করছিলেন। ঢাকায় এক্সপোর্টের প্যান্ট তৈরি কাজ করতেন।

হরতালে বাসে আগুন দেওয়া রশিদের লাশ লালপুরে দাফন

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

লালপুর প্রতিনিধি:
বিএনপি-জামায়াতের হরতালে ঢাকার মোহাম্মদপুরে বাসে আগুন দিয়ে পালানোর সময় ছাদ থেকে পড়ে নিহত আব্দুর রশিদের মরদেহ নাটোরের লালপুরে নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

আজ উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের নাগদহ (শোভ) গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রোববার রাতে নিহতের ভাই রাকিবুজ্জামান বাবু লাশ গ্রহণ করেন। সকাল ৯ টার দিকে মরদেহটি লালপুরে বাড়িতে এসে পৌঁছায়। লালপুর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মৃত আব্দুর রশিদ উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড নাগদহ গ্রামের মৃত মো. খলিল সরদারের ছেলে। তিনি ঢাকার আদাবর থানা বিএনপির ৩০ নং ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি আদাবর থানার সাবেক যুবদল নেতা ছিলেন। তিনি আদাবরে স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে সুনিবিড় হাউজিংয়ে ভাড়া থাকতেন।

জানা যায়, রোববার সকাল ১০টার দিকে বিএনপি-জামায়াতের হরতালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার আসাদ এভিনিউয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের কাছে ‘পরিস্থান পরিবহন’ এর একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছিলেন রশিদ। আগুন দেওয়ার পর রাস্তার লোকজন ধাওয়া দিলে তিনি জাকির হোসেন রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে গিয়ে ওঠেন। বেলা ১২টার দিকে ওই ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালাতে গিয়ে মৃত্যু হয়। বাসে আগুন দেওয়ার ওই ঘটনায় দুই যাত্রী দগ্ধ হন। তাদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনিস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আগুনে ওই বাসের সবগুলো সিট পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।

নিহতের ভাই রাকিবুজ্জামান বাবু দাবি, তার ভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে বলে পুলিশ তার কাছ থেকে লিখে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আব্দুর রশিদ ঢাকার আদাবর থানাধীন ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। দীর্ঘ ১৪ বছর পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করে সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি পেশার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, আব্দুর রশিদ অনেক বছর ধরেই ঢাকায় বসবাস করছিলেন। ঢাকায় এক্সপোর্টের প্যান্ট তৈরি কাজ করতেন।