ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নরসিংদীতে সংবর্ধনা নেওয়ার সময় ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট আটক, তিন মাসের সাজা Logo দেশের বাজারে বয়া এর নতুন অল ইন ওয়ান ওয়ারলেস মাইক্রোফোন Logo সাড়ে চারশ কোটির হীরার নেকলেসে নজর কাড়লেন প্রিয়াঙ্কা Logo  পৃথিবীতে কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশি সুন্দরী Logo বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেশের গণতন্ত্র-মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী Logo ঈদের সময় ১১ দিন বাল্কহেড চলাচল বন্ধ Logo বিএসআরএফ বার্তা’র মোড়ক উম্মোচন করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী Logo টানা ছয় ম্যাচ জিতে প্লে অফ নিশ্চিত করলেও শেষমেশ বিদায় নিলো বেঙ্গালুরু Logo গাজায় মসজিদে ইসরায়েলি হামলা, ১০ শিশুসহ নিহত ১৬ Logo এমপি আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ড: ঢাকায় আসছে ভারতীয় পুলিশের স্পেশাল টিম

সরাইলে মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগায় সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০, নিহত ১

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ৯ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল কালিকচ্ছ বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ফয়সাল (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিকচ্ছ বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ফয়সাল উপজেলার কুট্টাপাড়ার রাকিব মিয়ার ছেলে। পরিবারের দাবি, ফয়সাল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে, দুইপক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ হলে স্প্রিন্টারের আঘাতে ফয়সাল নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি গ্রামের ইকবাল চৌকিদারের ছেলে অটোরিকশা চালক আকাশ রাস্তা পার হচ্ছিলো। এসময় ধরন্তী মূলবর্গ গ্রামের হুমায়ন মেম্বারের ছেলে তোফাজ্জলের মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও পরে হাতাহাতি হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে তোফাজ্জলের লোকজনেরা কালিকচ্ছ বাজারে আকাশের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন আকাশ। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যায় ইফতারের পর কালিকচ্ছ বাজারে দুই গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় বাজারের কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। তাদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ফয়সালকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়সাল মারা যায়।
নিহত ফয়সালের মা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে পুলিশের ছোড়া গুলিতে মারা গেছে।’ এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, সংঘর্ষে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। ককটেলের স্প্রিন্টারের আঘাতে যুবক নিহত হয়েছেন।তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সরাইলে মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগায় সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০, নিহত ১

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ
শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল কালিকচ্ছ বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ফয়সাল (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কালিকচ্ছ বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ফয়সাল উপজেলার কুট্টাপাড়ার রাকিব মিয়ার ছেলে। পরিবারের দাবি, ফয়সাল পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশ বলছে, দুইপক্ষের সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ হলে স্প্রিন্টারের আঘাতে ফয়সাল নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ বাজারে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের সূর্যকান্দি গ্রামের ইকবাল চৌকিদারের ছেলে অটোরিকশা চালক আকাশ রাস্তা পার হচ্ছিলো। এসময় ধরন্তী মূলবর্গ গ্রামের হুমায়ন মেম্বারের ছেলে তোফাজ্জলের মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি ও পরে হাতাহাতি হয়।
এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে তোফাজ্জলের লোকজনেরা কালিকচ্ছ বাজারে আকাশের ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হন আকাশ। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যায় ইফতারের পর কালিকচ্ছ বাজারে দুই গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এসময় বাজারের কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে পুলিশ, সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। তাদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ফয়সালকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়সাল মারা যায়।
নিহত ফয়সালের মা হালিমা খাতুন বলেন, ‘আমার ছেলে পুলিশের ছোড়া গুলিতে মারা গেছে।’ এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, সংঘর্ষে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। ককটেলের স্প্রিন্টারের আঘাতে যুবক নিহত হয়েছেন।তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।