ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সমালোচনাকে কেয়ার করেন না ঋতুপর্ণা

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ ৫৩ বার পঠিত

৯০ দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত ঋতুপর্ণা অভিনয় করেছেন একাধিক বাংলাদেশী ও হিন্দি চলচ্চিত্রেও। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ ও লেখালিখির সঙ্গেও জড়িত ঋতুপর্ণা।

১৯৯০ সালে শেষ চিঠি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পান ঋতুপর্ণা। এই ছবিতে অভিনয় করাকালীন ডাক আসে প্রভাত রায়ের শ্বেতপাথরের থালা ছবিতে অভিনয় করার। এই ছবির বিপুল সাফল্যের পরে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

১৯৯৪ সালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে নাগপঞ্চমী ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর বিপরীতে লাল পান বিবি ছবিতে অভিনয় করেন ঋতুপর্ণা। কুশল চক্রবর্তীর বিপরীতে শেষ চিঠি ছবিটিও সেই বছরেই মুক্তি পায়। সুজন সখী, নাগপঞ্চমী, মনের মানুষ ও সংসার সংগ্রাম প্রভৃতি তার প্রথম দিকের ছবিগুলি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

তবে, নব্বই দশকে টলিউড মানেই ছিল ঋতুপর্ণা এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় জুটি। একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শককে আবার হলমুখী করে তোলার পিছনে তাদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করে সেদেশেও সমান জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি লাভ করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে সাগরিকা চলচ্চিত্রর জন্য ব্যাপক সমালোচনার মধ্য পরেন।

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী তার অভিনয় ক্যারিয়ারে ১৯৯৫ সালে ভারত নির্মাণ পুরস্কার, ১৯৯৬ সালে কলাকার পুরস্কার এবং ২০০০ সালে উজালা আনন্দলোক শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীসহ নানা পুরস্কার অর্জন করেন।

একদিকে জনপ্রিয়তা অবার অন্যদিকে সমালোচনা দুই জগতেই সমানতালে এগিয়েছেন ঋতুপর্ণা । কিন্তু যতই সমালোচনার ঝড় ওঠুক, এসব বিষয়কে থোরাই কেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। ঋতুপর্ণা মনে করেছেন, অভিনয় জগতে থাকলে আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই।

সমালোচনাকে কেয়ার করেন না ঋতুপর্ণা

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

৯০ দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত ঋতুপর্ণা অভিনয় করেছেন একাধিক বাংলাদেশী ও হিন্দি চলচ্চিত্রেও। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ ও লেখালিখির সঙ্গেও জড়িত ঋতুপর্ণা।

১৯৯০ সালে শেষ চিঠি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পান ঋতুপর্ণা। এই ছবিতে অভিনয় করাকালীন ডাক আসে প্রভাত রায়ের শ্বেতপাথরের থালা ছবিতে অভিনয় করার। এই ছবির বিপুল সাফল্যের পরে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

১৯৯৪ সালে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে নাগপঞ্চমী ও চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর বিপরীতে লাল পান বিবি ছবিতে অভিনয় করেন ঋতুপর্ণা। কুশল চক্রবর্তীর বিপরীতে শেষ চিঠি ছবিটিও সেই বছরেই মুক্তি পায়। সুজন সখী, নাগপঞ্চমী, মনের মানুষ ও সংসার সংগ্রাম প্রভৃতি তার প্রথম দিকের ছবিগুলি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

তবে, নব্বই দশকে টলিউড মানেই ছিল ঋতুপর্ণা এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় জুটি। একের পর এক হিট সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শককে আবার হলমুখী করে তোলার পিছনে তাদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করে সেদেশেও সমান জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি লাভ করেছেন ঋতুপর্ণা। তবে সাগরিকা চলচ্চিত্রর জন্য ব্যাপক সমালোচনার মধ্য পরেন।

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী তার অভিনয় ক্যারিয়ারে ১৯৯৫ সালে ভারত নির্মাণ পুরস্কার, ১৯৯৬ সালে কলাকার পুরস্কার এবং ২০০০ সালে উজালা আনন্দলোক শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীসহ নানা পুরস্কার অর্জন করেন।

একদিকে জনপ্রিয়তা অবার অন্যদিকে সমালোচনা দুই জগতেই সমানতালে এগিয়েছেন ঋতুপর্ণা । কিন্তু যতই সমালোচনার ঝড় ওঠুক, এসব বিষয়কে থোরাই কেয়ার করেছেন এই অভিনেত্রী। ঋতুপর্ণা মনে করেছেন, অভিনয় জগতে থাকলে আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই।