ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হুথি মোকাবিলায় সৌদি আরবের পাশে সীমিত সহায়তা, সরাসরি যুদ্ধে নামছে না যুক্তরাষ্ট্র Logo ফেনীর নিহত যুবদল নেতা ও অসহায় পরিবারকে বাড়ি উপহার দিচ্ছেন তারেক রহমান Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া কাজী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী সভাপতি ইয়াহিইয়া মাসউদ, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট ঘিরে ফের উত্তাপ, কনসার্ট বন্ধের দাবি, কওমি ঐক্য জোটের  Logo নওগাঁয় দৈনিক দেশ প্রতিদিনের ১৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo ফিচার ফোন থেকে স্মার্টফোন—১৪ কোটিতে সিম্ফনির গৌরবযাত্রা Logo পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ Logo আকর্ষণীয় অফারে সাড়া ফেলছে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ

শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর পার্লামেন্ট নির্বাচনেও জয় পেলো দিশানায়েকের জোট

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪ ২৮০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

শ্রীলঙ্কায় দুমাস আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েক। এবার আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো তার দল ‘জনতা বিমুক্তি পেরুমুনার’ (জেভিপি) নেতৃত্বাধীন বামপন্থি জোট ‘ন্যাশনাল পিপল্স পাওয়ার’ (এনপিপি)।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এরপর শুরু হয় গণনা। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বামপন্থি এনপিপি ১৩৭টিতে জয় পেয়েছে। প্রায় ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারা।

২০২২ সালের জুলাইয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটের আবহে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা ও তার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটাভুটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল বিক্রমসিংহ। কিন্তু যে অর্থনৈতিক সঙ্কট রাজাপাকশের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভকে উসকে দিয়েছিল, তা খুব বেশি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি রনিল।

রনিলের নেতৃত্বে অনাস্থা জানিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ৫৬ বছরের অনূঢ়াকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছিল শ্রীলঙ্কার জনগণ। প্রেসিডেন্ট হয়েই পার্লামেন্ট ভেঙে নতুন করে নির্বাচনের জন্য সক্রিয় হন তিনি। ফল বলছে সেখানেও সাফল্য মিললো তার।

শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ২২৫। এর মধ্যে ১৯৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। বাকি ২৯টি আসন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতের ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৩টি আসন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৪২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিলেন অনূঢ়া। ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ‘সমাগি জন বলবেগয়ার’ (এসজেবি) নেতা সাজিথ প্রেমদাসা। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) প্রধান রনিল বিক্রমসিংহ ১৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

ফলাফল বলছে, অনূঢ়ার এনপিপি ৬২ শতাংশের বেশি শ্রীলঙ্কাবাসীর সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠ হতে চলেছে। সাজিথের এসজেবি ১৮ শতাংশ ও রনিলের এনডিএফ যথাক্রমে ১৮ এবং ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ভোটপ্রাপ্তির হিসাবে রাজপাকশের পরিবারের দল এসএলপিপি চতুর্থ।শ্রীলঙ্কায় এবারের ভোটে ৮ হাজার ৮৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ভোটারের সংখ্যা পৌনে দুই কোটির বেশি। বৃহস্পতিবার প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

ট্যাগস :

শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর পার্লামেন্ট নির্বাচনেও জয় পেলো দিশানায়েকের জোট

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

শ্রীলঙ্কায় দুমাস আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েক। এবার আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলো তার দল ‘জনতা বিমুক্তি পেরুমুনার’ (জেভিপি) নেতৃত্বাধীন বামপন্থি জোট ‘ন্যাশনাল পিপল্স পাওয়ার’ (এনপিপি)।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। এরপর শুরু হয় গণনা। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বামপন্থি এনপিপি ১৩৭টিতে জয় পেয়েছে। প্রায় ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারা।

২০২২ সালের জুলাইয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কটের আবহে প্রবল জনবিক্ষোভের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা ও তার ভাই প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটাভুটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েছিলেন রনিল বিক্রমসিংহ। কিন্তু যে অর্থনৈতিক সঙ্কট রাজাপাকশের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভকে উসকে দিয়েছিল, তা খুব বেশি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি রনিল।

রনিলের নেতৃত্বে অনাস্থা জানিয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ৫৬ বছরের অনূঢ়াকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিয়েছিল শ্রীলঙ্কার জনগণ। প্রেসিডেন্ট হয়েই পার্লামেন্ট ভেঙে নতুন করে নির্বাচনের জন্য সক্রিয় হন তিনি। ফল বলছে সেখানেও সাফল্য মিললো তার।

শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ২২৫। এর মধ্যে ১৯৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। বাকি ২৯টি আসন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতের ভিত্তিতে বণ্টন করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৩টি আসন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৪২.৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিলেন অনূঢ়া। ৩২ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ‘সমাগি জন বলবেগয়ার’ (এসজেবি) নেতা সাজিথ প্রেমদাসা। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) প্রধান রনিল বিক্রমসিংহ ১৭ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন।

ফলাফল বলছে, অনূঢ়ার এনপিপি ৬২ শতাংশের বেশি শ্রীলঙ্কাবাসীর সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠ হতে চলেছে। সাজিথের এসজেবি ১৮ শতাংশ ও রনিলের এনডিএফ যথাক্রমে ১৮ এবং ৫ শতাংশ ভোট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ভোটপ্রাপ্তির হিসাবে রাজপাকশের পরিবারের দল এসএলপিপি চতুর্থ।শ্রীলঙ্কায় এবারের ভোটে ৮ হাজার ৮৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ভোটারের সংখ্যা পৌনে দুই কোটির বেশি। বৃহস্পতিবার প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল।