ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ ১০০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ১২ মে ২০২৬ ।।

মিরপুর টেস্টে ২৬৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম দিনের চা-বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১১৬ রান। শেষ সেশনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৫২ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট। চা-বিরতির পরপরই ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসে বাংলাদেশ। বিরতির পর প্রথম ওভারেই তাইজুল ইসলামের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন সেট ব্যাটার আবদুল্লাহ ফজল, তিনি করেন ৬৬ রান। এরপরের ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে গালিতে ক্যাচ দেন সালমান আগা (২৬)। এতে ১২১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান। লক্ষ্য তাড়ায় নেমেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদের দারুণ এক ডেলিভারিতে ইমাম উল হক (২) উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। মাত্র ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। লাঞ্চ বিরতিতে তাদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৬ রান। বিরতির পর প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইসকে ১৫ রানে বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি অধিনায়ক শান মাসুদও। উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২ রান করে ফেরেন তিনি। ৬৮ রানেই ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজন মিলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়লেও শেষ সেশনের শুরুতেই তাদের ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। এর আগে পঞ্চম দিনে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। তখন তাদের লিড ছিল ১৭৯ রান। সেখান থেকে লিড বাড়িয়ে ২৬৭ রানে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ দিনে দ্রুত রান তোলার লক্ষ্যেই খেলতে নামে বাংলাদেশ। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। হাসান আলির বলে মিডঅফে ক্যাচ দিয়ে ২২ রানে বিদায় নেন তিনি। লিটন দাসও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, ১১ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। নাজমুল হোসেন শান্তর সামনে ছিল এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ। কিন্তু ১৩ রানের জন্য তা হাতছাড়া হয়। নোমান আলীর বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। ১৫০ বলে ৭ চার মেরে ৮৭ রান করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১০১ রান। শেষদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ ২৭ বলে ২৪ রান করেন। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে হাসান আলি ও নোমান আলি দুটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৪১৩ রান করে। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। প্রথম ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

ট্যাগস :

শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ১২ মে ২০২৬ ।।

মিরপুর টেস্টে ২৬৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম দিনের চা-বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ১১৬ রান। শেষ সেশনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৫২ রান, আর বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট। চা-বিরতির পরপরই ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসে বাংলাদেশ। বিরতির পর প্রথম ওভারেই তাইজুল ইসলামের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হন সেট ব্যাটার আবদুল্লাহ ফজল, তিনি করেন ৬৬ রান। এরপরের ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে গালিতে ক্যাচ দেন সালমান আগা (২৬)। এতে ১২১ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান। লক্ষ্য তাড়ায় নেমেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদের দারুণ এক ডেলিভারিতে ইমাম উল হক (২) উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। মাত্র ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। লাঞ্চ বিরতিতে তাদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৬ রান। বিরতির পর প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আজান আওয়াইসকে ১৫ রানে বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি অধিনায়ক শান মাসুদও। উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২ রান করে ফেরেন তিনি। ৬৮ রানেই ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। তবে এরপর আবদুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুজন মিলে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়লেও শেষ সেশনের শুরুতেই তাদের ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। এর আগে পঞ্চম দিনে ৩ উইকেটে ১৫২ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। তখন তাদের লিড ছিল ১৭৯ রান। সেখান থেকে লিড বাড়িয়ে ২৬৭ রানে নেয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ দিনে দ্রুত রান তোলার লক্ষ্যেই খেলতে নামে বাংলাদেশ। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। হাসান আলির বলে মিডঅফে ক্যাচ দিয়ে ২২ রানে বিদায় নেন তিনি। লিটন দাসও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, ১১ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। নাজমুল হোসেন শান্তর সামনে ছিল এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ। কিন্তু ১৩ রানের জন্য তা হাতছাড়া হয়। নোমান আলীর বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। ১৫০ বলে ৭ চার মেরে ৮৭ রান করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১০১ রান। শেষদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ ২৭ বলে ২৪ রান করেন। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি বাংলাদেশ। পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে হাসান আলি ও নোমান আলি দুটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৪১৩ রান করে। জবাবে পাকিস্তান অলআউট হয় ৩৮৬ রানে। প্রথম ইনিংস শেষে ২৭ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।