ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

শুকনো রুটিই এখন আহারের একমাত্র সম্বল গাজাবাসীর!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩ ১৬১ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গভীর মানবিক সংকটে ফিলিস্তিনের গাজা। শরণার্থী শিবিরগুলি ইসরায়েলি আক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। আর এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মাসব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে খাদ্য, পানি, বাসস্থান ও বিদ্যুতের সংকটে সেখানকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। খাদ্য-পানির অভাবে জর্জরিত মানুষগুলোর শুকনো রুটিই আহারের একমাত্র সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দুই রুটিতেই দিন যাচ্ছে বেশিরভাগ গাজাবাসীর।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) এভাবেই ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের করুণ পরিস্থিতি সামনে আনলেন গাজার জন্য জাতিসংঘের সংস্থার পরিচালক থমাস হোয়াইট।

ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় সাহায্য কর্মকর্তা বলেছেন যে গাজায় ফিলিস্তিনিরা জাতিসংঘের মজুদকৃত ময়দা থেকে তৈরি দুই টুকরো আরবি রুটির ওপর জীবনযাপন করছে। রাস্তায় এখন গাড়ি থামালে শোনা যাচ্ছে ‘ পানি পানি’ চিৎকার।

থমাস হোয়াইট গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পুরো গাজা উপত্যকা চষে বেড়াচ্ছেন। গাজাকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন,এখানে বর্তমানে কোনো জায়গা নিরাপদ নয়। লোকেরা তাদের জীবন, তাদের ভবিষ্যৎ এবং তাদের পরিবারকে খাওয়ানোর সক্ষমতা নিয়ে ভয় পাচ্ছে।

একটি ভিডিও ব্রিফিংয়ে, হোয়াইট জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের কূটনীতিকদের বলেছিলেন যে ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ গাজা জুড়ে প্রায় ৮৯টি বেকারিকে সহায়তা করছে। যার লক্ষ্য ১৭ লাখ লোককে রুটি দেওয়া। তবে মানুষ এখন রুটি খোঁজার আগে পানি সংগ্রহ করতে মরিয়া।

গাজায় পানির সংকটের একটি কারণ হলো এখানে একটি মাত্র সুপেয় পানির লাইন চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের ডেপুটি মিডইস্ট সমন্বয়কারী লিন হেস্টিংস বলেছেন, দখলদার ইসরায়েল থেকে আসা তিনটি পানি সরবরাহ লাইনের মধ্যে মাত্র একটি চালু রয়েছে। পানির অভাবে অনেক মানুষ সমুদ্রের লোনা পানি ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করছেন।

শুকনো রুটিই এখন আহারের একমাত্র সম্বল গাজাবাসীর!

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গভীর মানবিক সংকটে ফিলিস্তিনের গাজা। শরণার্থী শিবিরগুলি ইসরায়েলি আক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। আর এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মাসব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে খাদ্য, পানি, বাসস্থান ও বিদ্যুতের সংকটে সেখানকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। খাদ্য-পানির অভাবে জর্জরিত মানুষগুলোর শুকনো রুটিই আহারের একমাত্র সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দুই রুটিতেই দিন যাচ্ছে বেশিরভাগ গাজাবাসীর।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) এভাবেই ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের করুণ পরিস্থিতি সামনে আনলেন গাজার জন্য জাতিসংঘের সংস্থার পরিচালক থমাস হোয়াইট।

ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় সাহায্য কর্মকর্তা বলেছেন যে গাজায় ফিলিস্তিনিরা জাতিসংঘের মজুদকৃত ময়দা থেকে তৈরি দুই টুকরো আরবি রুটির ওপর জীবনযাপন করছে। রাস্তায় এখন গাড়ি থামালে শোনা যাচ্ছে ‘ পানি পানি’ চিৎকার।

থমাস হোয়াইট গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পুরো গাজা উপত্যকা চষে বেড়াচ্ছেন। গাজাকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন,এখানে বর্তমানে কোনো জায়গা নিরাপদ নয়। লোকেরা তাদের জীবন, তাদের ভবিষ্যৎ এবং তাদের পরিবারকে খাওয়ানোর সক্ষমতা নিয়ে ভয় পাচ্ছে।

একটি ভিডিও ব্রিফিংয়ে, হোয়াইট জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের কূটনীতিকদের বলেছিলেন যে ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ গাজা জুড়ে প্রায় ৮৯টি বেকারিকে সহায়তা করছে। যার লক্ষ্য ১৭ লাখ লোককে রুটি দেওয়া। তবে মানুষ এখন রুটি খোঁজার আগে পানি সংগ্রহ করতে মরিয়া।

গাজায় পানির সংকটের একটি কারণ হলো এখানে একটি মাত্র সুপেয় পানির লাইন চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে জাতিসংঘের ডেপুটি মিডইস্ট সমন্বয়কারী লিন হেস্টিংস বলেছেন, দখলদার ইসরায়েল থেকে আসা তিনটি পানি সরবরাহ লাইনের মধ্যে মাত্র একটি চালু রয়েছে। পানির অভাবে অনেক মানুষ সমুদ্রের লোনা পানি ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করছেন।