শুকনো রুটিই এখন আহারের একমাত্র সম্বল গাজাবাসীর!
- আপডেট সময় : ০২:৩৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩ ১৬১ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গভীর মানবিক সংকটে ফিলিস্তিনের গাজা। শরণার্থী শিবিরগুলি ইসরায়েলি আক্রমণ থেকে মুক্ত নয়। আর এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। মাসব্যাপী হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে খাদ্য, পানি, বাসস্থান ও বিদ্যুতের সংকটে সেখানকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। খাদ্য-পানির অভাবে জর্জরিত মানুষগুলোর শুকনো রুটিই আহারের একমাত্র সম্বল হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দুই রুটিতেই দিন যাচ্ছে বেশিরভাগ গাজাবাসীর।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) এভাবেই ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের করুণ পরিস্থিতি সামনে আনলেন গাজার জন্য জাতিসংঘের সংস্থার পরিচালক থমাস হোয়াইট।
ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় সাহায্য কর্মকর্তা বলেছেন যে গাজায় ফিলিস্তিনিরা জাতিসংঘের মজুদকৃত ময়দা থেকে তৈরি দুই টুকরো আরবি রুটির ওপর জীবনযাপন করছে। রাস্তায় এখন গাড়ি থামালে শোনা যাচ্ছে ‘ পানি পানি’ চিৎকার।
থমাস হোয়াইট গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পুরো গাজা উপত্যকা চষে বেড়াচ্ছেন। গাজাকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্য’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন,এখানে বর্তমানে কোনো জায়গা নিরাপদ নয়। লোকেরা তাদের জীবন, তাদের ভবিষ্যৎ এবং তাদের পরিবারকে খাওয়ানোর সক্ষমতা নিয়ে ভয় পাচ্ছে।
একটি ভিডিও ব্রিফিংয়ে, হোয়াইট জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের কূটনীতিকদের বলেছিলেন যে ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ গাজা জুড়ে প্রায় ৮৯টি বেকারিকে সহায়তা করছে। যার লক্ষ্য ১৭ লাখ লোককে রুটি দেওয়া। তবে মানুষ এখন রুটি খোঁজার আগে পানি সংগ্রহ করতে মরিয়া।
গাজায় পানির সংকটের একটি কারণ হলো এখানে একটি মাত্র সুপেয় পানির লাইন চালু রয়েছে।
এ বিষয়ে জাতিসংঘের ডেপুটি মিডইস্ট সমন্বয়কারী লিন হেস্টিংস বলেছেন, দখলদার ইসরায়েল থেকে আসা তিনটি পানি সরবরাহ লাইনের মধ্যে মাত্র একটি চালু রয়েছে। পানির অভাবে অনেক মানুষ সমুদ্রের লোনা পানি ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভর করছেন।
























