ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ইমনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ Logo বড়ইয়ায় নিজস্ব অর্থায়নে দেড় কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করলেন সমাজসেবক আতিকুর রহমান আতিক Logo অন্ধকারে নিমজ্জিত মিনি পর্যটনখ্যাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া টু বিজয়নগর সড়ক, ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা Logo বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম ১৭ মিনিট, শাকিরা-ম্যাডোনা-জাস্টিন বিবারের পারফরম্যান্স নিশ্চিত Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার গৃহবন্দী, ৩ দিন অনাহারে শিশুসহ পরিবারের ৬ সদস্য  Logo ধামরাইয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি Logo ইরান সংকটে ট্রাম্পের সামনে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা, বলছে নিউইয়র্ক টাইমস Logo রাজাপুরের বড়ইয়ায় মেম্বার প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের মতবিনিময় সভা Logo অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানববন্ধন

শীতকালে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩ ৩৯৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

অতীতের তুলনায় বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ২০ থেকে ৪০ বছরের বেশি বয়সের মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে শীত এলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাক এবং জলবায়ু পরিবর্তনের যোগসূত্র কোথায়?

শীতকালে রোগ বাড়ে। এ সময় জ্বর-সর্দি-কাশি যেমন বাড়ে, তেমনি হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই। তবে, অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন যে তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন হার্টের উপর প্রভাব ফেলে।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে হার্ট অ্যাটাক ছাড়াও অনেক মানুষ স্ট্রোকের পাশাপাশি অন্যান্য হার্টের সমস্যায় ভোগেন। এর কারণ হলো শীতকালে আমাদের শরীরে স্নায়ুতন্ত্রের ‘সহানুভূতিশীল সক্রিয়তা’ বেড়ে যায়। তাই রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। একে ‘ভাসোকনস্ট্রিকশন’ বলে।

এমনটা হলে শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যায়। তাই পুরো শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে হৃৎপিণ্ড দ্বিগুণ গতিতে কাজ করে। বাইরের তাপমাত্রা খুব বেশি কমে গেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

এটি হাইপোথার্মিয়া হতে পারে যা হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীগুলির ক্ষতি করে। যাদের ইতিমধ্যেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের শরীর এই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে লড়াই করে। শীতকালে শরীরের অক্সিজেনের চাহিদা আবার বেড়ে যায়।

অন্যদিকে, ভাসোকনস্ট্রিকশন ইতিমধ্যেই রক্তনালীকে সরু করে দেয়। তাই হার্টে কম অক্সিজেন পৌঁছায়। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরও কয়েকটি কারণ শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, যখন ঠান্ডা হয়, তখন সবাই বেশি বাড়িতে থাকে। এ সময় হাঁটা বা ব্যায়াম করার ইচ্ছা কমে যায়। তার উপর খাদ্যাভ্যাসেও বদল আসে। এমন খাবার খাওয়া বেশি হয়ে যায় যা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাস্থ্যের উপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয় নানা দিক থেকেই।

তাই শীতকালে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পরুন। শরীর গরম থাকে তা নিশ্চিত করুন। হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান।

 

শীতকালে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

আপডেট সময় : ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

অতীতের তুলনায় বর্তমানে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ২০ থেকে ৪০ বছরের বেশি বয়সের মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে শীত এলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। কিন্তু হার্ট অ্যাটাক এবং জলবায়ু পরিবর্তনের যোগসূত্র কোথায়?

শীতকালে রোগ বাড়ে। এ সময় জ্বর-সর্দি-কাশি যেমন বাড়ে, তেমনি হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও বাড়ে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই। তবে, অনেক বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করেন যে তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন হার্টের উপর প্রভাব ফেলে।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে হার্ট অ্যাটাক ছাড়াও অনেক মানুষ স্ট্রোকের পাশাপাশি অন্যান্য হার্টের সমস্যায় ভোগেন। এর কারণ হলো শীতকালে আমাদের শরীরে স্নায়ুতন্ত্রের ‘সহানুভূতিশীল সক্রিয়তা’ বেড়ে যায়। তাই রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। একে ‘ভাসোকনস্ট্রিকশন’ বলে।

এমনটা হলে শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যায়। তাই পুরো শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে হৃৎপিণ্ড দ্বিগুণ গতিতে কাজ করে। বাইরের তাপমাত্রা খুব বেশি কমে গেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

এটি হাইপোথার্মিয়া হতে পারে যা হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীগুলির ক্ষতি করে। যাদের ইতিমধ্যেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের শরীর এই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে লড়াই করে। শীতকালে শরীরের অক্সিজেনের চাহিদা আবার বেড়ে যায়।

অন্যদিকে, ভাসোকনস্ট্রিকশন ইতিমধ্যেই রক্তনালীকে সরু করে দেয়। তাই হার্টে কম অক্সিজেন পৌঁছায়। এতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরও কয়েকটি কারণ শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, যখন ঠান্ডা হয়, তখন সবাই বেশি বাড়িতে থাকে। এ সময় হাঁটা বা ব্যায়াম করার ইচ্ছা কমে যায়। তার উপর খাদ্যাভ্যাসেও বদল আসে। এমন খাবার খাওয়া বেশি হয়ে যায় যা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাস্থ্যের উপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয় নানা দিক থেকেই।

তাই শীতকালে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র পরুন। শরীর গরম থাকে তা নিশ্চিত করুন। হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান।