ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এক মাসের জল্পনার অবসান, নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘গোপাল ভাঁড়’ Logo বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকীতে মাশরাফির শ্রদ্ধা, ফেসবুকে লিখলেন ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’ Logo বেলজিয়ামে বাড়ির দেয়াল ভেঙে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের গুপ্তধন Logo ১৫ আগস্টের আগে অস্থির বাংলাদেশ: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগের কয়েক সপ্তাহে কী ঘটেছিল Logo ধামরাইয়ে মাদক বিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে Logo সিনেমাটিক মোবাইল ভিডিওগ্রাফির সুবিধাসহ ‘রোবট ফোন’ আনল অনার Logo বাঞ্ছারামপুরের জনবান্ধব ইউএনও তরিকুল ইসলামের বদলিতে চরম ক্ষোভ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সংকটের নেপথ্যে কারা? ডিজিএমকে ঘিরে নানা প্রশ্ন  Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনেও কাটেনি গ্যাস সংকট, দুর্ভোগে ২৬ হাজার গ্রাহক Logo ​ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এজমালি সম্পত্তি একক খারিজে বিক্রয়ের অভিযোগ, ১৪৪ ধারা জারি

শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৬৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যেসব সমস্যার কথা শোনা যায়, তার মধ্যে একটি অন্যতম হলো—অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতা। এই বিষয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাপ এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও অন্যান্য গুণাবলির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অধ্যাপক আবরার বলেন, “শিক্ষার্থীরা যখন কেবলমাত্র পরীক্ষায় ভালো করার চাপ নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তাদের মধ্যে অন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক বা নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, শিক্ষা শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের বিষয় নয়। তার চেয়ে আরো বিস্তৃত বিষয় হলো—মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সামাজিক গুণাবলির বিকাশ।

এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও তার কিছু পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, “স্কুলে এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে অভাব বোধ করবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই পড়ানোই নয়, তাদের খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।”

অধ্যাপক আবরার আরও বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাধারণ মেধা রয়েছে, তবে মেধাকে সঠিকভাবে লালন করার জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

একই সঙ্গে তিনি নারীদের প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, এবং উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭% নারী, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

অতএব, অধ্যাপক আবরারের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখন বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য পঠনপাঠনের পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

ট্যাগস :

শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় যেসব সমস্যার কথা শোনা যায়, তার মধ্যে একটি অন্যতম হলো—অতিরিক্ত পাঠ্যবই ও পরীক্ষানির্ভরতা। এই বিষয়ে সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের উপর অতিরিক্ত পাঠ্যবইয়ের চাপ এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের সৃজনশীলতা ও অন্যান্য গুণাবলির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অধ্যাপক আবরার বলেন, “শিক্ষার্থীরা যখন কেবলমাত্র পরীক্ষায় ভালো করার চাপ নিয়ে পড়ে থাকে, তখন তাদের মধ্যে অন্য ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক বা নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হওয়ার সুযোগ থাকে না।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, শিক্ষা শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের বিষয় নয়। তার চেয়ে আরো বিস্তৃত বিষয় হলো—মানুষের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও সামাজিক গুণাবলির বিকাশ।

এছাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকেও তার কিছু পরামর্শ রয়েছে। তিনি বলেন, “স্কুলে এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যেখানে শিক্ষার্থীরা স্কুল বন্ধ থাকলে অভাব বোধ করবে। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবই পড়ানোই নয়, তাদের খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।”

অধ্যাপক আবরার আরও বলেন, “দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসাধারণ মেধা রয়েছে, তবে মেধাকে সঠিকভাবে লালন করার জন্য আরও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”

একই সঙ্গে তিনি নারীদের প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, এবং উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৭% নারী, যা একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত।

অতএব, অধ্যাপক আবরারের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখন বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য পঠনপাঠনের পাশাপাশি অন্যান্য কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।