ঢাকা ০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শহীদ মিনার থেকে বইমেলায় লাখো প্রাণের ঢল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৩ বার পঠিত

নাজিম উর রহমান
সকালে বইমেলার দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরদের ঢল নামে।

বইমেলার শুধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশ নয়, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেও দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়। বইমেলার বাইরে দোয়েল চত্বর-টিএসসি থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে জনস্রোত। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে বেড়েই চলে লেখক-প্রকাশক ও পাঠকের এই সমাগম।
প্রকাশক-বিক্রেতারা বলছেন, বইমেলায় একুশে ফেব্রুয়ারির দিন স্বাভাবিকভাবেই পাঠক-দর্শনার্থীদের স্রোত তৈরি হয়।

এদিন বইমেলা ঘুরে দেখা যায়, সবাই সাজে ও পোশাকেও ধারণ করেছেন একুশ। অনেকের হাতে-মুখে একুশের আলপনা, অনেকেই আবার মাথায় পরেছেন ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’ লেখা কাপড়ের ব্যান্ডানা। সাদা-কালো পোশাক তো ছিলই, অনেকের শাড়ি আর পাঞ্জাবিতে লেখা ছিল ‘অ আ ক খ’ বর্ণমালা।

বইপ্রেমীদের অনেকেই স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন লেখকদের সাথে। দলবেঁধে বইমেলার বিভিন্ন জায়গায় আড্ডা দিতে দেখা যায় পাঠক-লেখকদেরও। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের জলাধারের পাশে বসে প্রিয়জনের সাথে সময় পার করেন অনেক যুগল।
উদ্যান অংশে দুপুরে কথা হয় ধানমণ্ডি থেকে আসা দম্পতি কবির সারোয়ার ও সারা হোসেনের সাথে। তারা দুজন পরেছিলেন বাংলা বর্ণমালা ছাপা শাড়ি ও পাঞ্জাবি।
বাংলা একাডেমি অংশে কথা হয় লালবাগ থেকে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কবির শয়নের সাথে।
সহপাঠীদের সঙ্গে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে দোয়েল চত্বর দিয়ে বইমেলায় যাচ্ছিলেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নাদিয়া পারভেজ। তিনি বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত বইমেলায় তিনবার গেলাম। সঙ্গে বন্ধু-সহপাঠীদেরও নিয়ে যাচ্ছি। সারাদিন মেলায় ঘুরে ঘুরে বই কিনবো। পরিবারের সদস্যদের উপহার দেবো বই।

জনাব মেহিদি স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বইমেলায় এসে বেশ কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখেছেন বলে জানালেন।
উল্লেখ্য, এবার বইমেলায় ১১ লাখের বেশি বর্গফুট এলাকায় ৯০১টি ইউনিট এবং ৬৫৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩৮টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আর লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে ১৫৩টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :

শহীদ মিনার থেকে বইমেলায় লাখো প্রাণের ঢল

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

নাজিম উর রহমান
সকালে বইমেলার দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরদের ঢল নামে।

বইমেলার শুধু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশ নয়, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণেও দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়। বইমেলার বাইরে দোয়েল চত্বর-টিএসসি থেকে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে জনস্রোত। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে বেড়েই চলে লেখক-প্রকাশক ও পাঠকের এই সমাগম।
প্রকাশক-বিক্রেতারা বলছেন, বইমেলায় একুশে ফেব্রুয়ারির দিন স্বাভাবিকভাবেই পাঠক-দর্শনার্থীদের স্রোত তৈরি হয়।

এদিন বইমেলা ঘুরে দেখা যায়, সবাই সাজে ও পোশাকেও ধারণ করেছেন একুশ। অনেকের হাতে-মুখে একুশের আলপনা, অনেকেই আবার মাথায় পরেছেন ‘অমর একুশে ফেব্রুয়ারি’ লেখা কাপড়ের ব্যান্ডানা। সাদা-কালো পোশাক তো ছিলই, অনেকের শাড়ি আর পাঞ্জাবিতে লেখা ছিল ‘অ আ ক খ’ বর্ণমালা।

বইপ্রেমীদের অনেকেই স্টলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন লেখকদের সাথে। দলবেঁধে বইমেলার বিভিন্ন জায়গায় আড্ডা দিতে দেখা যায় পাঠক-লেখকদেরও। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের জলাধারের পাশে বসে প্রিয়জনের সাথে সময় পার করেন অনেক যুগল।
উদ্যান অংশে দুপুরে কথা হয় ধানমণ্ডি থেকে আসা দম্পতি কবির সারোয়ার ও সারা হোসেনের সাথে। তারা দুজন পরেছিলেন বাংলা বর্ণমালা ছাপা শাড়ি ও পাঞ্জাবি।
বাংলা একাডেমি অংশে কথা হয় লালবাগ থেকে আসা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কবির শয়নের সাথে।
সহপাঠীদের সঙ্গে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে দোয়েল চত্বর দিয়ে বইমেলায় যাচ্ছিলেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী নাদিয়া পারভেজ। তিনি বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত বইমেলায় তিনবার গেলাম। সঙ্গে বন্ধু-সহপাঠীদেরও নিয়ে যাচ্ছি। সারাদিন মেলায় ঘুরে ঘুরে বই কিনবো। পরিবারের সদস্যদের উপহার দেবো বই।

জনাব মেহিদি স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বইমেলায় এসে বেশ কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখেছেন বলে জানালেন।
উল্লেখ্য, এবার বইমেলায় ১১ লাখের বেশি বর্গফুট এলাকায় ৯০১টি ইউনিট এবং ৬৫৪টি প্রতিষ্ঠানের ৩৮টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আর লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে ১৫৩টি লিটল ম্যাগাজিনের স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।