ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লড়াকু ছবির নায়ক রুবেল

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:২২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪ ৪৪ বার পঠিত

‘লড়াকু’ সিনেমা দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র নতুন বাঁক নিয়েছিল বলে মনে করা হয়। এই সিনেমার আগেও অন্য সিনেমাতে অ্যাকশন দৃশ্য থাকলেও কুংফু, ক্যারাতে মার্শাল আর্টের অ্যকশন জনপ্রিয় হয় ‘লড়াকু’ দিয়েই। এই সিনেমার মাধ্যমে ১৯৮৬ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় নায়ক রুবেলের।

একসময় মার্শাল আর্ট ঘারানার সিনেমা মানেই রুবেলের নাম উচ্চারিত হতো। ঢাকাইয়া বাংলা সিনেমার ‘ব্রুসলি’ বলা হতো তাকে। আশি ও নব্বয়ের দশক ঢাকাই সিনেমায় মার্শাল আর্টে মাতিয়ে রেখেছিলেন তিনি। মার্শাল আর্ট তখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। অনেক কিশোর-তরুণ তখন মার্শাল আর্টের প্রতি ঝুঁকেছিলেন। ‘লড়াকু’ সিনেমার পরপরই রুবেল অভিনীত ‘উদ্ধার’, ‘বীরপুরুষ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘হুংকার’, ‘বীরবিক্রম’, ‘আমিই শাহেনশাহ’, ‘বিষদাঁত’, ‘বজ্রপাত’, ‘ইনকিলাব’ প্রতিটা সিনেমায় সুপারহিট হয়েছিল।

‘অ্যাকশন কিং’ খ্যাত নায়ক রুবেলে অভিনীত প্রতিটা সিনেমা দর্শক পছন্দ করত। তার অন্যতম কারণ তিনি খালি হাতে অ্যকশন দৃশ্যে অংশ নিতেন। পিস্তল কিংবা ভারি কোনো অস্ত্র ব্যবহার করতেন না। দর্শকের কাছে তাই আলাদা একটা চাহিদা ছিল এই নায়কের।

রুবেল অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘হুংকার’, ‘বিষদাঁত’, ‘বজ্রপাত’ ‘অকর্মা’ ‘ইনকিলাব’ ‘উত্থান পতন’ ‘সন্ত্রাস’ ‘শেষ আঘাত,’ ‘দেশ দুশমন’, ‘অর্জন’, ‘লাওয়ারিশ’, ‘অধিনায়ক’, ‘বীরযোদ্ধা’, ‘অন্যায় অত্যাচার’, ‘মহাগুরু’, ‘মিন্টু সম্রাট’, ‘লড়াই’, ‘সম্পর্ক মহাশত্রু’, ‘মৃত্যুদণ্ড’, ‘মায়ের কান্না’, ‘টপ রংবাজ’, ‘চোখের পানি’, ‘জ্বলন্ত আগুন’, ‘বীরযোদ্ধা’, ‘সম্পর্ক’, ‘অপহরণ’, ‘ঘরের শত্রু’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘মীরজাফর’, ‘জ্বলন্ত বারুদ’, ‘ক্ষমা নেই’, ‘রাগী’ ইত্যাদি।

রুবেল প্রায় দুইশ’র বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ১৭টি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন। এছাড়া ‘দ্যা একশন ও্যারিয়রস’ নামে নিজস্ব ফাইটিং গ্রুপ আছে তার। যারা অনেক সিনেমার অ্যকশন দৃশ্য পরিচালনা করেছেন।

লড়াকু ছবির নায়ক রুবেল

আপডেট সময় : ০২:২২:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

‘লড়াকু’ সিনেমা দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র নতুন বাঁক নিয়েছিল বলে মনে করা হয়। এই সিনেমার আগেও অন্য সিনেমাতে অ্যাকশন দৃশ্য থাকলেও কুংফু, ক্যারাতে মার্শাল আর্টের অ্যকশন জনপ্রিয় হয় ‘লড়াকু’ দিয়েই। এই সিনেমার মাধ্যমে ১৯৮৬ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় নায়ক রুবেলের।

একসময় মার্শাল আর্ট ঘারানার সিনেমা মানেই রুবেলের নাম উচ্চারিত হতো। ঢাকাইয়া বাংলা সিনেমার ‘ব্রুসলি’ বলা হতো তাকে। আশি ও নব্বয়ের দশক ঢাকাই সিনেমায় মার্শাল আর্টে মাতিয়ে রেখেছিলেন তিনি। মার্শাল আর্ট তখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। অনেক কিশোর-তরুণ তখন মার্শাল আর্টের প্রতি ঝুঁকেছিলেন। ‘লড়াকু’ সিনেমার পরপরই রুবেল অভিনীত ‘উদ্ধার’, ‘বীরপুরুষ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘হুংকার’, ‘বীরবিক্রম’, ‘আমিই শাহেনশাহ’, ‘বিষদাঁত’, ‘বজ্রপাত’, ‘ইনকিলাব’ প্রতিটা সিনেমায় সুপারহিট হয়েছিল।

‘অ্যাকশন কিং’ খ্যাত নায়ক রুবেলে অভিনীত প্রতিটা সিনেমা দর্শক পছন্দ করত। তার অন্যতম কারণ তিনি খালি হাতে অ্যকশন দৃশ্যে অংশ নিতেন। পিস্তল কিংবা ভারি কোনো অস্ত্র ব্যবহার করতেন না। দর্শকের কাছে তাই আলাদা একটা চাহিদা ছিল এই নায়কের।

রুবেল অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে- ‘হুংকার’, ‘বিষদাঁত’, ‘বজ্রপাত’ ‘অকর্মা’ ‘ইনকিলাব’ ‘উত্থান পতন’ ‘সন্ত্রাস’ ‘শেষ আঘাত,’ ‘দেশ দুশমন’, ‘অর্জন’, ‘লাওয়ারিশ’, ‘অধিনায়ক’, ‘বীরযোদ্ধা’, ‘অন্যায় অত্যাচার’, ‘মহাগুরু’, ‘মিন্টু সম্রাট’, ‘লড়াই’, ‘সম্পর্ক মহাশত্রু’, ‘মৃত্যুদণ্ড’, ‘মায়ের কান্না’, ‘টপ রংবাজ’, ‘চোখের পানি’, ‘জ্বলন্ত আগুন’, ‘বীরযোদ্ধা’, ‘সম্পর্ক’, ‘অপহরণ’, ‘ঘরের শত্রু’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘মীরজাফর’, ‘জ্বলন্ত বারুদ’, ‘ক্ষমা নেই’, ‘রাগী’ ইত্যাদি।

রুবেল প্রায় দুইশ’র বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ১৭টি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন। এছাড়া ‘দ্যা একশন ও্যারিয়রস’ নামে নিজস্ব ফাইটিং গ্রুপ আছে তার। যারা অনেক সিনেমার অ্যকশন দৃশ্য পরিচালনা করেছেন।