ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে মৌসুমী ফলের বাজার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ১৬৩ বার পঠিত

মুসফিকুর রহমান সৈকত, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে লক্ষ্মীপুরে বেশিরভাগ বাজারগুলোতে মৌসুমী ফল বিক্রেতাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন মৌসুমী ফলের স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা ফল দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ব্যবসা এতদিন মন্দা হলেও এ সপ্তাহে তাদের বিক্রি বেড়েছে। মৌসুমী এসব ফলে কেমিক্যাল মেশানো হয়না। কেননা কেমিক্যাল মেশালে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এসব ফল পঁচে যায় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে প্রচন্ড তাপদাহের কারণে মৌসুমী ফল নষ্ট হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার সদর উপজেলার বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা চন্দ্রগঞ্জ, বশিকপুর, দত্তপাড়া, জকসিন, রায়পুর পৌর শহর, হায়দরগঞ্জ, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট, করুণানগর, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, রামগঞ্জ পৌর শহরসহ প্রায় সব বাজারে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেড়েছে। এসব ফলের মধ্যে কাঁঠাল আকারভেদে ১০০-১৫০ টাকা, মন্ডল প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকা, দেশীয় আম প্রতিকেজি ১৫০-১৬০ টাকা, পাহাড়ী আনারস প্রতিপিছ ৩০-৩৫ টাকা, বাঙ্গি প্রতিপিছ ৫০-৬০ টাকা, লিচু প্রতিশত ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তায় ও ছোট ছোট বাজারে এবং মোড়ে মোড়ে রিকশা ভ্যানে ফেরি করে দেশী জাতের আম, আনারস, কাঁঠাল, মন্ডলসহ মৌসুমী ফল বিক্রি হচ্ছে।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া বাজারের আম ব্যবসায়ী আনারুল হক জানান, বৃষ্টি না থাকায় তাপদাহে গ্রামাঞ্চলের গাছের আম অনেকটাই ঝরে গেছে। ঝরে পড়া এসব আম পাইকারি কিনে তিনি ভ্যানে ফেরি করে খুচরা বিক্রি করছেন। আধাপাকা আম প্রতিকেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। এগুলো অনেকে আমসত্ত্ব ও চাটনি করে খাওয়ার জন্য কিনেন।
সদর উপজেলার মান্দারী বাজারে ফল কিনতে এসেছেন স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম। তিনি জানান, মৌসুমের শুরুতে মৌসুমী ফলের প্রতি সবারই আকর্ষণ থাকে। দাম এখন কিছুটা বেশি হলেও বাচ্চাদের জন্য আম ও লিচু কিনেছেন। তবে ফলের বাজার যাতে রাসায়নিক কেমিক্যাল (ফরমালিন) মুক্ত থাকে সেজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার রাখার দাবি জানান তিনি।

শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকার ফল বিক্রেতা মাসুদ জানায়, জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরতে এতদিন বেচাকেনা তেমন ছিল না। প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তরমুজ ও বাঙ্গি পচে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে এসে মৌসুমী ফলের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে বলে জানালেন এই বিক্রেতা।

লক্ষ্মীপুরে জমে উঠেছে মৌসুমী ফলের বাজার

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

মুসফিকুর রহমান সৈকত, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে লক্ষ্মীপুরে বেশিরভাগ বাজারগুলোতে মৌসুমী ফল বিক্রেতাদের ব্যস্ততা বেড়েছে। প্রতিদিন মৌসুমী ফলের স্বাদ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা ফল দোকানগুলোতে ভিড় করছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ব্যবসা এতদিন মন্দা হলেও এ সপ্তাহে তাদের বিক্রি বেড়েছে। মৌসুমী এসব ফলে কেমিক্যাল মেশানো হয়না। কেননা কেমিক্যাল মেশালে এক থেকে দুই দিনের মধ্যে এসব ফল পঁচে যায় বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে প্রচন্ড তাপদাহের কারণে মৌসুমী ফল নষ্ট হচ্ছে বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার সদর উপজেলার বৃহৎ বাণিজ্যিক এলাকা চন্দ্রগঞ্জ, বশিকপুর, দত্তপাড়া, জকসিন, রায়পুর পৌর শহর, হায়দরগঞ্জ, কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট, করুণানগর, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার, রামগঞ্জ পৌর শহরসহ প্রায় সব বাজারে দেশীয় ফলের সরবরাহ বেড়েছে। এসব ফলের মধ্যে কাঁঠাল আকারভেদে ১০০-১৫০ টাকা, মন্ডল প্রতিকেজি ৮০-১০০ টাকা, দেশীয় আম প্রতিকেজি ১৫০-১৬০ টাকা, পাহাড়ী আনারস প্রতিপিছ ৩০-৩৫ টাকা, বাঙ্গি প্রতিপিছ ৫০-৬০ টাকা, লিচু প্রতিশত ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তায় ও ছোট ছোট বাজারে এবং মোড়ে মোড়ে রিকশা ভ্যানে ফেরি করে দেশী জাতের আম, আনারস, কাঁঠাল, মন্ডলসহ মৌসুমী ফল বিক্রি হচ্ছে।
সদর উপজেলার দত্তপাড়া বাজারের আম ব্যবসায়ী আনারুল হক জানান, বৃষ্টি না থাকায় তাপদাহে গ্রামাঞ্চলের গাছের আম অনেকটাই ঝরে গেছে। ঝরে পড়া এসব আম পাইকারি কিনে তিনি ভ্যানে ফেরি করে খুচরা বিক্রি করছেন। আধাপাকা আম প্রতিকেজি ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। এগুলো অনেকে আমসত্ত্ব ও চাটনি করে খাওয়ার জন্য কিনেন।
সদর উপজেলার মান্দারী বাজারে ফল কিনতে এসেছেন স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম। তিনি জানান, মৌসুমের শুরুতে মৌসুমী ফলের প্রতি সবারই আকর্ষণ থাকে। দাম এখন কিছুটা বেশি হলেও বাচ্চাদের জন্য আম ও লিচু কিনেছেন। তবে ফলের বাজার যাতে রাসায়নিক কেমিক্যাল (ফরমালিন) মুক্ত থাকে সেজন্য বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার রাখার দাবি জানান তিনি।

শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকার ফল বিক্রেতা মাসুদ জানায়, জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরতে এতদিন বেচাকেনা তেমন ছিল না। প্রচন্ড তাপদাহের কারণে তরমুজ ও বাঙ্গি পচে অনেক লোকসান গুণতে হয়েছে। জ্যৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝিতে এসে মৌসুমী ফলের চাহিদা ও বিক্রি বেড়েছে বলে জানালেন এই বিক্রেতা।