ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রির্জাভ চুরির খবরটি সম্পূর্ণ ভূয়া বলে দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের

অর্থনীতি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৪৪ বার পঠিত

ভারতীয় একটি গণমাধ্যম আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) নর্থইস্ট নিউজ দাবি করেছে যে ভারতীয় হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ হ্যাক করেছে। এ খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নতুন কোনো রিজার্ভ চুরি হয়নি। খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মাজবাউল হক বলেন, প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়া।

ভারতে অনলাইন রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাংকপাড়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগাযোগ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মাজবাউল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, নিউইয়র্ক ফেডের সঙ্গে লেনদেনের নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে বর্তমানে তিনটি স্তরের নিরাপত্তা নীতি রয়েছে। রিজার্ভ চুরি সম্পর্কে এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা.

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ৩৫টি ভুয়া বার্তার মাধ্যমে আমেরিকান ফেডারেল রিজার্ভের নিউইয়র্ক শাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার চুরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১০ কোটি ডলারের বেশি চুরি করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা।

এই অর্থের একটি অংশ চলে যায় শ্রীলঙ্কায় আর বাকিটা যায় ফিলিপাইনের। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার উদ্ধার হলেও বাকিটা আর ফেরত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমেরিকার আদালতে একটি মামলা চলমান আছে।

রির্জাভ চুরির খবরটি সম্পূর্ণ ভূয়া বলে দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

ভারতীয় একটি গণমাধ্যম আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) নর্থইস্ট নিউজ দাবি করেছে যে ভারতীয় হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ হ্যাক করেছে। এ খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নতুন কোনো রিজার্ভ চুরি হয়নি। খবরটি সম্পূর্ণ ভুয়া।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মাজবাউল হক বলেন, প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়া।

ভারতে অনলাইন রিজার্ভ চুরির প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাংকপাড়াসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগাযোগ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মাজবাউল হক এ প্রসঙ্গে বলেন, নিউইয়র্ক ফেডের সঙ্গে লেনদেনের নিশ্চয়তার ক্ষেত্রে বর্তমানে তিনটি স্তরের নিরাপত্তা নীতি রয়েছে। রিজার্ভ চুরি সম্পর্কে এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা.

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে, সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ৩৫টি ভুয়া বার্তার মাধ্যমে আমেরিকান ফেডারেল রিজার্ভের নিউইয়র্ক শাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার চুরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১০ কোটি ডলারের বেশি চুরি করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা।

এই অর্থের একটি অংশ চলে যায় শ্রীলঙ্কায় আর বাকিটা যায় ফিলিপাইনের। চুরি হওয়া অর্থের মধ্যে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ডলার উদ্ধার হলেও বাকিটা আর ফেরত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমেরিকার আদালতে একটি মামলা চলমান আছে।