হাওলাদার বেলাল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :
রাজাপুরের ৫ নং বড়ইয়া ইউনিয় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন পালিত হয়। এসময় শারীরিক সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ১৫ আগাস্ট ( শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭. ৩০মি.রাজাপুরের বড়ইয়া ইউনিয়নের উত্তমপুর বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এসব আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো : রফিকুল ইসলাম জামাল।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আজকের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারপার্সন ইতোমধ্য দেশনেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন সেই মহীয়সী নারী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ইউনিয়নের ওলামা দলের নেতৃত্বে বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠন ও সমাজ সেবকরা যে সভার আয়োজন করেছেন তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, প্রিয় ভাইয়েরা দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এক মহীয়সী ক্ষণজন্মা এক নারী। যিনি ১৯৭১ সালে আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বলেছিলেন তুমি দেশের জন্য যুদ্ধ কর। আমি দুই সন্তান নিয়ে ঢাকায় চললাম। তারপর তিনি চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে ঢাকায় আসলেন। দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই দিন বোরকা পরে দুটো শিশু সন্তানসহ চট্টগ্রাম থেকে জাহাজে ঢাকার নারায়নগঞ্জ নেমেছিলেন। তৎকালীন সময় নারায়নগঞ্জ থেকে তার ভগ্নিপতি যিনি ঐ সময়ে বানিজ্য মন্ত্রনালয় পেট্রোবাংলায় চাকরি করতেন। তিনি আমাদের দেশনেত্রী বেগম জিয়ার বড় বোন যিনি আমাদের মন্ত্রী ছিলেন, খুরশিদ জাহান হকের স্বামী মোজাম্মেল হক। তিনি একটি গাড়ি নিয়ে তাকে রিসিভ করতে যায় কিন্তু তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পারে যে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ও পুত্রদয় ঢাকায় আসছে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে শেখ মুজিব পালিয়ে পাকিস্তান চলে গেলো তার পরিবার পাক আর্মিদের হেফাজতে রেখে গিয়ে ছিলেন শেখ মুজিব। অন্য দিকে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ও পুত্র ছিল ক্যান্টোনমেন্ট জেলে। বাংলাদেশ স্বাধীন হলো ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ক্ষমতায় অসীন হলো। এরপর সৃষ্টি করলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
বিএনপির ৩ নম্বর সংগঠন হিসেবে জিয়াউর রহৃমান তৈরি করল ওলামাদল। কারন তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন আলেমদের যদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত করতে পারি তাহলে দেশকে ইসলামি শিক্ষায় এগিয়ে নেয়া যাবে। এর পর জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশে এক স্বৈরাচার অসীন হয়। গৃহবধু থেকে বেগম জিয়া রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করে স্বৈরাচার হটিয়ে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন।
তারপরো তাকেে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার জেল জুলুম অত্যাচার নিপিড়ন করেছিলেন তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। এ মহীয়সী নারী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য আজকের এই দিনে আপনারা দোয়া করবেন যেন ওনাকে আল্লাহতালা শারীরিক সুস্থতা দান করেন।