ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কোকোর মৃত্যু হয়-ফখরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ ৬ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আরাফাত রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ নন। তিনি একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত ও বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১১ জানুয়ারি সবচেয়ে কলঙ্কজনক ঘটনার পর আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন অসাধারণ সংগঠক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন জাতীয়তাবাদী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের সন্তান। আমরা দেখেছি কী করুণ অবস্থায় তাকে (কোকো) মারা যেতে হয়েছিল। দেশে ভালো চিকিৎসা না নিয়েই চলে যেতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন, এই পরিবার (জিয়া) এদেশের মানুষের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই পরিবার এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার শান্তি কামনা করি। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

ফখরুল বলেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি। আমাদের অনেক নেতা আজ জেলে। চলমান এই আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতন্ত্র আন্দোলনে আমরা এই দানব সরকারকে সফল, জয় ও পরাজিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা মহাসিন জিল্লুর রহমান, নাজিমুদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলীম নকী, যুবদলের মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়ে মুন্না, যুবদলের সভাপতি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কোকোর মৃত্যু হয়-ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আরাফাত রহমান রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ নন। তিনি একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার কবর জিয়ারত ও বনানী কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১১ জানুয়ারি সবচেয়ে কলঙ্কজনক ঘটনার পর আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন একজন অসাধারণ সংগঠক।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন জাতীয়তাবাদী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের সন্তান। আমরা দেখেছি কী করুণ অবস্থায় তাকে (কোকো) মারা যেতে হয়েছিল। দেশে ভালো চিকিৎসা না নিয়েই চলে যেতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন, এই পরিবার (জিয়া) এদেশের মানুষের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই পরিবার এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার শান্তি কামনা করি। আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করুন।

ফখরুল বলেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি। আমাদের অনেক নেতা আজ জেলে। চলমান এই আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতন্ত্র আন্দোলনে আমরা এই দানব সরকারকে সফল, জয় ও পরাজিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা মহাসিন জিল্লুর রহমান, নাজিমুদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলীম নকী, যুবদলের মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়ে মুন্না, যুবদলের সভাপতি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।