ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রমজানে কঠোর অবস্থানে থাকবে ভোক্তা বিষয়ক অধিদপ্তর

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩ ১৬ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, আসন্ন রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা সুরক্ষা অধিদপ্তর কঠোর অবস্থান নেবে। তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

তিনি সরবরাহ ঘাটতি উল্লেখ করে আসন্ন রমজানে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের সদর দফতরের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের (আদা, রসুন, হলুদ ও শুকনা মরিচ) সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা তাকে জানান, দামের অস্থিতিশীলতা ও সরবরাহ ঘাটতির ক্ষেত্রে বিদ্যমান এলসি খুলতে সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া, অসাধু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করে পণ্য মজুদ করে পুরনো দামে কেনা পণ্য নতুন বেশি দামে বিক্রি করে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, রমজানের আগেই আমাদের দেশি পেঁয়াজ উঠবে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। দাম পড়বে ৫০ টাকার মধ্যে। কিন্তু আদা ও রসুনের বাজার অস্থির। রমজানের আগেই দাম বাড়তে শুরু করেছে। হঠাৎ করে আদা ও রসুনের দাম কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা বেড়ে যায়। কিছু পণ্য আমদানির উপর নির্ভরশীল হতে পারে, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দাম ২৫ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু ডলারের বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়েছে বেশি। দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকলে বাজার আরও অস্থির হয়ে উঠবে।

 

ট্যাগস :

রমজানে কঠোর অবস্থানে থাকবে ভোক্তা বিষয়ক অধিদপ্তর

আপডেট সময় : ০৬:১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, আসন্ন রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জাতীয় ভোক্তা সুরক্ষা অধিদপ্তর কঠোর অবস্থান নেবে। তিনি বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

তিনি সরবরাহ ঘাটতি উল্লেখ করে আসন্ন রমজানে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের সদর দফতরের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের (আদা, রসুন, হলুদ ও শুকনা মরিচ) সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আমদানিকারক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা তাকে জানান, দামের অস্থিতিশীলতা ও সরবরাহ ঘাটতির ক্ষেত্রে বিদ্যমান এলসি খুলতে সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া, অসাধু ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করে পণ্য মজুদ করে পুরনো দামে কেনা পণ্য নতুন বেশি দামে বিক্রি করে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, রমজানের আগেই আমাদের দেশি পেঁয়াজ উঠবে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। দাম পড়বে ৫০ টাকার মধ্যে। কিন্তু আদা ও রসুনের বাজার অস্থির। রমজানের আগেই দাম বাড়তে শুরু করেছে। হঠাৎ করে আদা ও রসুনের দাম কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকা বেড়ে যায়। কিছু পণ্য আমদানির উপর নির্ভরশীল হতে পারে, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দাম ২৫ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু ডলারের বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়েছে বেশি। দাম নিয়ন্ত্রণে না থাকলে বাজার আরও অস্থির হয়ে উঠবে।