ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানা থেকে কমপ্রেসর ও পাইপ জব্দ Logo সিএমপির ডিবি বন্দর বিভাগের অভিযানে ৪০ লাখ টাকার আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ জরুরি সাধারণ সভা ও নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ Logo ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩ ১০০৫ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)