সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার-১
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০২:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৪ ১৪৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।
রুবেল হোসাইন, রংপুর প্রতিনিধি:
রংপুরের মিঠাপুকুরে এক নারীর বাড়িতে ঢুকে ছিনতাইকারী ছুরিকাহত করে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাশ্ববর্তী গ্রাম থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এক পেশাদার চোরকে বাড়ি থেকে তুলে এনে একটি ক্লাব ঘরে আটকে রেখে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হলে ১ নং আসামিকে আটক করেছে রংপুর র্যাব-১৩।
সোমবার (২৮-অক্টোবর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মিঠাপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, গত- ২৪ অক্টোবর রাত আনুমানিক সাড়ে এগারো টার সময় মিঠাপুকুর উপজেলার ঢোলার পাড়া গ্রাম থেকে মৃত- নুরুল ইসলামের পুত্র আয়নুল হক নামে একজনকে মনোয়ারা বেগম (৫৫) ‘কে ছুরিকাহত করার ঘটনায় কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেল যোগে তুলে নিয়ে আসে। আইনুলকে তুলে নিয়ে আসার পর বড় মির্জাপুর শান্তি সংঘ’ নামে একটি ক্লাব ঘরে আটকে রেখে নির্মম ভাবে পিটানো হয়। ২৫ (অক্টোবর) সকালে পুলিশ খবর পেয়ে আইনুলকে উদ্ধার করে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আইনুলকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং দেশের শীর্ষ স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে গুরুত্বের সহিত প্রচার হলে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মূল অপরাধীদের গ্রেফতার এবং শনাক্তের চেষ্টা চালায়। এঁরই পরিপেক্ষিতে রংপুর র্যাবের একটি চৌকস দল এজাহার নামীয় মূল আসামি মেজবাহুর প্রধান(৫৫) কে,আটক করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, আইনুলকে হত্যার ঘটনায় ১৮ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অনন্য আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য যে, গত- ২৪ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯ টার সময় বড় মির্জাপুর গ্রামে মনোয়ারা বেওয়া নামে এক নারীর বাড়িতে ছিনতাই করার সময় বাঁধা দেওয়ায় ওই নারীকে অজ্ঞাত এক ছিনতাইকারী শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাহত করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই এলাকার চিহ্নিত চোর এবং একাধিক মামলার আসামি আইনুলকে তুলে এনে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়। আইনুলকে হত্যার ঘটনায় ওই এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হলেও আইনকে হাতে তুলে নিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং পাশবিক নির্যাতন দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে যায় স্থানীয়রা।






















