ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

মোবাইল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন: এনইআইআর পদ্ধতি সংশোধনের দাবি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৯৭ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

এনইআইআর সিস্টেমের সংশোধন ও মোবাইল ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুই শতাধিক মোবাইল ব্যবসায়ী এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা সরকারের কাছে এনইআইআর সিস্টেম বাতিলের দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, “আমাদের ওপর প্রশাসনিক হয়রানি চালানো হয়েছে। আমরা যখন ন্যায্য দাবি নিয়ে রাজপথে এসেছি, তখন আমাদের উপর অযৌক্তিকভাবে হামলা হয়েছে এবং ৫৭ জন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সামিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, “আমরা চাই, আমাদের ওপর যে অন্যায় হয়েছে তার বিচার হোক এবং আমাদের দাবির প্রতি সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

মোবাইল ব্যবসায়ীদের প্রধান দাবিগুলো:
১. এনইআইআর সিস্টেম সংশোধন না করলে পুরো মোবাইল বাজারে শুধুমাত্র নয়টি কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অপ্রতিরোধ্য।
২. তরুণ সমাজ, বিশেষত শিক্ষার্থীরা, একটি ভালো মানের স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য হারাবে। এর ফলে, তারা ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।
৩. প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারের জন্য আনা ফোনগুলো ব্যবহারে অক্ষম হবে, কারণ নতুন এনইআইআর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।
৪. গ্রামাঞ্চল ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্মার্টফোন কেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
৫. ফোনের সিম/এনআইডি না মিললে ফোন বিক্রি করা বা হস্তান্তর করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।
৬. একচেটিয়া বাজারের কারণে, নয়টি কোম্পানি পুরোনো মডেল চাপিয়ে দিতে থাকবে এবং দাম বাড়াতে থাকবে।
৭. ফোন হারালে ট্র্যাকিং বা উদ্ধার কাজ অসম্ভব হয়ে যাবে।
৮. মোবাইল ব্যবসার সাথে জড়িত ২৫ হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং তাদের পরিবারের ২০ লক্ষাধিক মানুষ বেকার হয়ে পড়বে, যা দেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক হবে।

ট্যাগস :

মোবাইল ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন: এনইআইআর পদ্ধতি সংশোধনের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

এনইআইআর সিস্টেমের সংশোধন ও মোবাইল ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দুই শতাধিক মোবাইল ব্যবসায়ী এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা সরকারের কাছে এনইআইআর সিস্টেম বাতিলের দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, “আমাদের ওপর প্রশাসনিক হয়রানি চালানো হয়েছে। আমরা যখন ন্যায্য দাবি নিয়ে রাজপথে এসেছি, তখন আমাদের উপর অযৌক্তিকভাবে হামলা হয়েছে এবং ৫৭ জন ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সামিউল ইসলাম অভিযোগ করেন, “আমরা চাই, আমাদের ওপর যে অন্যায় হয়েছে তার বিচার হোক এবং আমাদের দাবির প্রতি সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”

মোবাইল ব্যবসায়ীদের প্রধান দাবিগুলো:
১. এনইআইআর সিস্টেম সংশোধন না করলে পুরো মোবাইল বাজারে শুধুমাত্র নয়টি কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অপ্রতিরোধ্য।
২. তরুণ সমাজ, বিশেষত শিক্ষার্থীরা, একটি ভালো মানের স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য হারাবে। এর ফলে, তারা ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।
৩. প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারের জন্য আনা ফোনগুলো ব্যবহারে অক্ষম হবে, কারণ নতুন এনইআইআর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।
৪. গ্রামাঞ্চল ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য স্মার্টফোন কেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।
৫. ফোনের সিম/এনআইডি না মিললে ফোন বিক্রি করা বা হস্তান্তর করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যাবে।
৬. একচেটিয়া বাজারের কারণে, নয়টি কোম্পানি পুরোনো মডেল চাপিয়ে দিতে থাকবে এবং দাম বাড়াতে থাকবে।
৭. ফোন হারালে ট্র্যাকিং বা উদ্ধার কাজ অসম্ভব হয়ে যাবে।
৮. মোবাইল ব্যবসার সাথে জড়িত ২৫ হাজার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী এবং তাদের পরিবারের ২০ লক্ষাধিক মানুষ বেকার হয়ে পড়বে, যা দেশের অর্থনীতি এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক হবে।