ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় যুবকের হাত-পা ভাঙলেন ইট ভাটা মালিক

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৭ বার পঠিত

মারুফ রায়হান, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ
মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শুক্রবার দুপুরে রাকিবুল ইসলাম জনি (২৭) নামে ওই যুবককে ভর্তি করা হয়েছে।রাকিবুল ইসলাম জনি মাগুরার সদর উপজেলার উথলি গ্রামের শফি মোল্লার ছেলে।চিকিৎসাধীন রাকিবুল ইসলাম জনি জানান, তিনি খলিলুর রহমানের ইটভাটায় স্কেবেটর চালকের কাজ করে থাকেন।চাকরি ছেড়ে দিতে চাওয়ায় ইটভাটা মালিক খলিলুর রহমান নিজের ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তার হাত-পা ও কলারবোন ভেঙ্গে দিয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় স্কেবেটর বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় জনি ভাটা ম্যানেজার আলিমের কাছে তেল চাইলে তিনি ভাটায় রাখা ড্রাম থেকে তেল নিতে বলেন। কিন্তু জনি সেখান থেকে তেল নিতে গেলে ভাটা মালিকের ছেলে আল আমিন তার উদ্দেশ্যে বিরূপ মন্তব্য করে। এ ঘটনায় জনি ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে ভাটা মালিক খলিলুর রহমান ও তার ছেলে আল আমিন বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়।রাকিবুল ইসলাম জনি বলেন, আমার বাবা শফি উদ্দিন মোল্লা একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী,পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিই আমি। অথচ অন্যায়ভাবে , কোন রকম উস্কানি ছাড়াই ভাটা মালিক ও তার ছেলে আমাকে পিটিয়ে হাতপা ভেঙে দিয়েছেন।রাকিবুলের পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের ঘটনায় বিচার দাবি করেছেন।এদিকে স্কেবেটর চালক রাকিবুল ইসলাম জনির ওপর হামলার বিষয়ে ভাটা মালিক খলিলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছেলের সঙ্গে ঝগড়া করে জনি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে চলে যাচ্ছিলো।এতে আমার ভাটা অচল হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় বিবেচনা করে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কথা না শোনায় রাগান্বিত হয়ে ছেলের সঙ্গে আমিও তাকে মারধর করেছি। কিন্তু তার হাত-পা ভেঙ্গে গেছে কিনা জানি না তিনি এই মন্তব্য করেন। উক্ত বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরায় যুবকের হাত-পা ভাঙলেন ইট ভাটা মালিক

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মারুফ রায়হান, মাগুরা জেলা প্রতিনিধিঃ
মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শুক্রবার দুপুরে রাকিবুল ইসলাম জনি (২৭) নামে ওই যুবককে ভর্তি করা হয়েছে।রাকিবুল ইসলাম জনি মাগুরার সদর উপজেলার উথলি গ্রামের শফি মোল্লার ছেলে।চিকিৎসাধীন রাকিবুল ইসলাম জনি জানান, তিনি খলিলুর রহমানের ইটভাটায় স্কেবেটর চালকের কাজ করে থাকেন।চাকরি ছেড়ে দিতে চাওয়ায় ইটভাটা মালিক খলিলুর রহমান নিজের ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে তার হাত-পা ও কলারবোন ভেঙ্গে দিয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যাওয়ায় স্কেবেটর বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থায় জনি ভাটা ম্যানেজার আলিমের কাছে তেল চাইলে তিনি ভাটায় রাখা ড্রাম থেকে তেল নিতে বলেন। কিন্তু জনি সেখান থেকে তেল নিতে গেলে ভাটা মালিকের ছেলে আল আমিন তার উদ্দেশ্যে বিরূপ মন্তব্য করে। এ ঘটনায় জনি ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে ভাটা মালিক খলিলুর রহমান ও তার ছেলে আল আমিন বাঁশের লাঠি ও রড দিয়ে তাকে বেধড়ক পিটুনি দেয়।রাকিবুল ইসলাম জনি বলেন, আমার বাবা শফি উদ্দিন মোল্লা একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী,পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিই আমি। অথচ অন্যায়ভাবে , কোন রকম উস্কানি ছাড়াই ভাটা মালিক ও তার ছেলে আমাকে পিটিয়ে হাতপা ভেঙে দিয়েছেন।রাকিবুলের পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের ঘটনায় বিচার দাবি করেছেন।এদিকে স্কেবেটর চালক রাকিবুল ইসলাম জনির ওপর হামলার বিষয়ে ভাটা মালিক খলিলুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ছেলের সঙ্গে ঝগড়া করে জনি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে চলে যাচ্ছিলো।এতে আমার ভাটা অচল হয়ে পড়বে। এ অবস্থায় বিবেচনা করে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কথা না শোনায় রাগান্বিত হয়ে ছেলের সঙ্গে আমিও তাকে মারধর করেছি। কিন্তু তার হাত-পা ভেঙ্গে গেছে কিনা জানি না তিনি এই মন্তব্য করেন। উক্ত বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।