ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইফোন ১৮-এ থাকছে নতুন আকর্ষণীয় চমক! Logo শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা Logo ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হলো ইসলামিক ব্যাংকিং বিভাগের কোর্স Logo গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে প্রশ্নফাঁসের কোনো সাক্ষ্য মেলেনি: শিক্ষা অধিদপ্তর Logo ব্যাংক সিস্টেমের বাইরে ৩ লাখ কোটি টাকা, বললেন মাসরুর আরেফিন Logo বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারে ক্ষুব্ধ পোশাক খাত: তিন শীর্ষ সংগঠন রুখে দাঁড়ালো Logo ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ, কার ভাগে কত টাকা? Logo শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে বাংলাদেশ Logo ব্রাজিল বিশ্বকাপ দলে নেইমারের স্থান: আসন্ন চ্যালেঞ্জ Logo পিসিবির চিঠি: বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল আইসিসি

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিকদের সাজা চান এসপি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪ ১৮৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে সাংবাদিকদের সাজা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ। একই সঙ্গে প্রেসক্লাব সভাপতিকে সাংবাদিকদের ছবিসহ তালিকা দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। প্রেসক্লাবের বাইরে যারা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে সাংবাদিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে এই মন্তব্য করেন জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ।

ঐ সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যের একটি অংশ ছিল: “কে সাংবাদিক আমরা জানি। ধরুন, আমি এখানে কালের কণ্ঠ পত্রিকার (উদাহরণস্বরূপ) সাংবাদিক। একটি জাতীয় পত্রিকার জেলায় সর্বোচ্চ ১ জন অথবা ২ জন প্রতিনিধি থাকবে। কিন্তু কেউ যদি ইউনিয়ন পর্যায়ের কালের কণ্ঠ (উদাহরণস্বরূপ) প্রতিনিধি পরিচয় দেয়, তাহলে এভাবে পুরো জেলায় একশ থেকে দুইশ সাংবাদিক হয়ে যাবে।।তিনি আরও বলেন,”চিন্তা করতে হবে ঢাকা জেলা কেন্দ্রীক কতজন সাংবাদিক কাজ করে। এখন একজন সাংবাদিক যার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেও সম্পাদক হয়ে গেছে। আমি সাংবাদিক হওয়ার জন্য আমার লেখাপড়ার যোগ্যতা না থাকা মানা যেতে পারে। কিন্তু একজন এডিটর বা চিফ এডিটর অবশ্যই যোগ্য হতে হবে। একটি সংবাদপত্রের অনুমোদন পেতেও নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড ফলো করতে হয়। যেমন, ওষুধের দোকান চালাতে হলে ফার্মাসিস্ট লাইসেন্স লাগে। এই বিষয়টি আমরা প্রেসক্লাব সভাপতি বা রিপোর্টার্স ইউনিটি অথবা জেলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকার বাইরের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা যায়। অথবা সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া যায়।”তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”আমরা একটা তালিকা করি, মাহবুব ভাই। এটা কি সম্ভব?”
সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া, এসপির এমন বক্তব্যে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা ফুঁসে উঠেছেন। কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল বলেন, “আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সাংবাদিকদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে মূলধারার সাংবাদিকেরা মর্মাহত।

ট্যাগস :

ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাংবাদিকদের সাজা চান এসপি

আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

ভ্রাম্যমাণ আদালত গঠন করে সাংবাদিকদের সাজা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ। একই সঙ্গে প্রেসক্লাব সভাপতিকে সাংবাদিকদের ছবিসহ তালিকা দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। প্রেসক্লাবের বাইরে যারা থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ নিয়ে সাংবাদিক মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাসিক আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে বক্তব্য দেওয়ার এক পর্যায়ে এই মন্তব্য করেন জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ।

ঐ সভায় পুলিশ সুপারের বক্তব্যের একটি অংশ ছিল: “কে সাংবাদিক আমরা জানি। ধরুন, আমি এখানে কালের কণ্ঠ পত্রিকার (উদাহরণস্বরূপ) সাংবাদিক। একটি জাতীয় পত্রিকার জেলায় সর্বোচ্চ ১ জন অথবা ২ জন প্রতিনিধি থাকবে। কিন্তু কেউ যদি ইউনিয়ন পর্যায়ের কালের কণ্ঠ (উদাহরণস্বরূপ) প্রতিনিধি পরিচয় দেয়, তাহলে এভাবে পুরো জেলায় একশ থেকে দুইশ সাংবাদিক হয়ে যাবে।।তিনি আরও বলেন,”চিন্তা করতে হবে ঢাকা জেলা কেন্দ্রীক কতজন সাংবাদিক কাজ করে। এখন একজন সাংবাদিক যার শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেও সম্পাদক হয়ে গেছে। আমি সাংবাদিক হওয়ার জন্য আমার লেখাপড়ার যোগ্যতা না থাকা মানা যেতে পারে। কিন্তু একজন এডিটর বা চিফ এডিটর অবশ্যই যোগ্য হতে হবে। একটি সংবাদপত্রের অনুমোদন পেতেও নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড ফলো করতে হয়। যেমন, ওষুধের দোকান চালাতে হলে ফার্মাসিস্ট লাইসেন্স লাগে। এই বিষয়টি আমরা প্রেসক্লাব সভাপতি বা রিপোর্টার্স ইউনিটি অথবা জেলা প্রেসক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করে তালিকার বাইরের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি। তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা যায়। অথবা সাংবাদিক পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তি দেওয়া যায়।”তিনি কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন,”আমরা একটা তালিকা করি, মাহবুব ভাই। এটা কি সম্ভব?”
সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া, এসপির এমন বক্তব্যে কক্সবাজার জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা ফুঁসে উঠেছেন। কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদের সভাপতি এম এ আজিজ রাসেল বলেন, “আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে সাংবাদিকদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ সুপার। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে মূলধারার সাংবাদিকেরা মর্মাহত।