ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভোট মেনে নেওয়া হবে না, যদি কোন অনিয়ম হয়- মিরজা আব্বাসঃ Logo উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে গাজীপুরে, উপস্থিতি সন্তোষজনক Logo ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, নওগাঁয় প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট। Logo ভালোবাসা দিবসে সংগীত প্রেমীদের জন্য চমক আসছে ‘আমার গরুর গাড়ি ২’ Logo ঢাকা শহরে নির্বাচন উপলক্ষে অদ্ভুত শূন্যতা Logo ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: এক দৃষ্টিতে Logo পাকিস্তানি ক্রিকেটার হাফিজ বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসি ব্যর্থতা স্বীকার করা উচিত। Logo নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ কমিশন: সিইসি Logo নীলা মার্কেটে আগুন দাও দাও করে পুড়ে ছাই করেছে ৫ দোকান

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ১২৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।

ট্যাগস :

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।