ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বৈশাখে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩ ৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক:
ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালির প্রাণের উৎসব। প্রতি বছর রমনার বটমূলে ছায়ানটের সঙ্গীতের মাধ্যমে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়। আগামীকালও একইভাবে ছায়ানটে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হবে। এ উপলক্ষে নেয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার ১৩ এপ্রিল সকালে রমনার বটমূলে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। সম্মানিত মহানগরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস ও বাধাগ্রস্থ করার জন্য ২০০১ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী এই রমনার বটমূলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলো। এতে অনেক নিরীহ লোকের প্রাণহানি ঘটে। তারপর থেকে প্রতি বছর রমনাসহ ঢাকা শহরের যে সব জায়গায় পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান হয় প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিñিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, রমনার বটমূল ও আশপাশের এলাকায় ডিএমপির ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হচ্ছে। ডগ স্কোয়াড দিয়ে শনাক্ত করে সিটিটিসির আন্তর্জাতিক মানের রোবটিক সিস্টেমের মাধ্যমে জান-মালের ক্ষতি না করে বোমা নিস্ক্রিয় করা ও অপরাধীকে কীভাবে গ্রেফতার করতে হবে তার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে ২৭০০ পুলিশ সদস্য। পহেলা বৈশাখে কিছু উঠতি বয়সের ছেলে উচ্চ শব্দের যন্ত্র ব্যবহার করে জনসাধারণের বিরক্তির সৃষ্টি করে। এ ধরণের শব্দযন্ত্র ব্যবহার ও ব্যাগ নিয়ে রমনা পার্কে প্রবেশ না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।তিনি বলেন, রমনার বটমূলে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ৯টি গেট থাকবে। তার মধ্যে চারটি গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি গেটেই আর্চওয়ে থাকবে। ব্যাগ নিয়ে রমনায় প্রবেশ করা যাবে না। এছাড়া সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি বাঙালি হিসেবে মনে করি, দুই-একটা বোমা দিয়ে নববর্ষ উদযাপন বন্ধ করা যাবে না। ১৯৭১ সালে পাকহানাদার বাহিনী তাদের দোসররা কামান-বন্দুক নিয়ে এই বাঙালিদের দমন করতে পারেনি। আর কোন জঙ্গি একটা-দুইটা বোমা মেরে আমাদের দমন করবে আমরা ওই রকম ভীতু জাতি নই। আমরা বীরের জাতি। কোনো জঙ্গি, কোনো শকুন আমাদের প্রতি নখ দেখাবে আমরা সেই জাতি নই। এরপরও যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।এসময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মুহাঃ আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোঃ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৈশাখে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

বাংলাদেশ কন্ঠ প্রতিবেদক:
ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ আমাদের বাঙালির প্রাণের উৎসব। প্রতি বছর রমনার বটমূলে ছায়ানটের সঙ্গীতের মাধ্যমে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়। আগামীকালও একইভাবে ছায়ানটে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু হবে। এ উপলক্ষে নেয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বৃহস্পতিবার ১৩ এপ্রিল সকালে রমনার বটমূলে বর্ষবরণ ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। সম্মানিত মহানগরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস ও বাধাগ্রস্থ করার জন্য ২০০১ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী এই রমনার বটমূলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলো। এতে অনেক নিরীহ লোকের প্রাণহানি ঘটে। তারপর থেকে প্রতি বছর রমনাসহ ঢাকা শহরের যে সব জায়গায় পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠান হয় প্রত্যেকটা অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিñিদ্র নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। তিনি বলেন, রমনার বটমূল ও আশপাশের এলাকায় ডিএমপির ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে সুইপিং করানো হচ্ছে। ডগ স্কোয়াড দিয়ে শনাক্ত করে সিটিটিসির আন্তর্জাতিক মানের রোবটিক সিস্টেমের মাধ্যমে জান-মালের ক্ষতি না করে বোমা নিস্ক্রিয় করা ও অপরাধীকে কীভাবে গ্রেফতার করতে হবে তার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে ২৭০০ পুলিশ সদস্য। পহেলা বৈশাখে কিছু উঠতি বয়সের ছেলে উচ্চ শব্দের যন্ত্র ব্যবহার করে জনসাধারণের বিরক্তির সৃষ্টি করে। এ ধরণের শব্দযন্ত্র ব্যবহার ও ব্যাগ নিয়ে রমনা পার্কে প্রবেশ না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।তিনি বলেন, রমনার বটমূলে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য ৯টি গেট থাকবে। তার মধ্যে চারটি গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি গেটেই আর্চওয়ে থাকবে। ব্যাগ নিয়ে রমনায় প্রবেশ করা যাবে না। এছাড়া সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে। ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমি বাঙালি হিসেবে মনে করি, দুই-একটা বোমা দিয়ে নববর্ষ উদযাপন বন্ধ করা যাবে না। ১৯৭১ সালে পাকহানাদার বাহিনী তাদের দোসররা কামান-বন্দুক নিয়ে এই বাঙালিদের দমন করতে পারেনি। আর কোন জঙ্গি একটা-দুইটা বোমা মেরে আমাদের দমন করবে আমরা ওই রকম ভীতু জাতি নই। আমরা বীরের জাতি। কোনো জঙ্গি, কোনো শকুন আমাদের প্রতি নখ দেখাবে আমরা সেই জাতি নই। এরপরও যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।এসময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মুহাঃ আশরাফুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মোঃ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।