ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নওগাঁয় দৈনিক দেশ প্রতিদিনের ১৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত Logo ফিচার ফোন থেকে স্মার্টফোন—১৪ কোটিতে সিম্ফনির গৌরবযাত্রা Logo পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ Logo আকর্ষণীয় অফারে সাড়া ফেলছে ভিভো ভি৮০ লাইট Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo সায়মন তারিকের নেতৃত্বে এফডিসিতে ‘চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি’র আত্মপ্রকাশ Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মনোনয়ন পেলেন না রোনালদো Logo বন্যার পর তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত কম্পন Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ১১০৮ টাকা

বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার 

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১০৬ বার পঠিত
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর ও প্রধান আসামি আবুল খায়ের (৫৫) কে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। রোববার ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন এলাকার একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আবুল খায়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দের বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে। র‌্যাব জানায়, নিহত হামদু মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে আসামিদের গরু হামদু মিয়ার জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে। এতে তিনি বাধা দিলে আসামিদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। এর জের ধরে ঘটনার পরদিন সকাল ৯ টার দিকে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আবুল খায়েরের নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামদু মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামদু মিয়াকে রক্ষা করতে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে হামলাকারীরা তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গুরুতর আহত হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় নিহত হামদু মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল খায়েরসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিপিসি-১ ও সিলেটের সিপিএসসির একটি যৌথ দল রোববার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় ৩ আগস্ট দায়ের করা হত্যা মামলায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ট্যাগস :

বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা, প্রধান আসামি সিলেটে গ্রেফতার 

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর ও প্রধান আসামি আবুল খায়ের (৫৫) কে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। রোববার ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালি থানাধীন এলাকার একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আবুল খায়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দের বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল মন্নাফের ছেলে। র‌্যাব জানায়, নিহত হামদু মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবারের সঙ্গে আসামিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। গত ১ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে আসামিদের গরু হামদু মিয়ার জমিতে ঢুকে ফসল নষ্ট করে। এতে তিনি বাধা দিলে আসামিদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি ও তর্ক-বিতর্ক হয়। এর জের ধরে ঘটনার পরদিন সকাল ৯ টার দিকে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হামদু মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, আবুল খায়েরের নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামদু মিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামদু মিয়াকে রক্ষা করতে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে হামলাকারীরা তাদের হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। গুরুতর আহত হামদু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় নিহত হামদু মিয়ার স্ত্রী বাদী হয়ে বিজয়নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আবুল খায়েরসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯-এর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিপিসি-১ ও সিলেটের সিপিএসসির একটি যৌথ দল রোববার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটের দিকে সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন একটি আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর পলাতক আসামি আবুল খায়েরকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে বিজয়নগর থানায় ৩ আগস্ট দায়ের করা হত্যা মামলায় পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।