ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিএনপি-জামায়াতের আমলে তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিল:প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ২০ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। নারী-পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য এসেছে বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে। তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। দেশের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায় তখন।

বুধবার (১৫ মে) সকালে ‘আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক কর্তব্য হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ গঠন করেন। আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর দেশে একটি অগণতান্ত্রিক সরকার এসে একে একে সব অর্জন ধ্বংস করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরপর দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পারি দিয়ে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সকলের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিৎ করতে নতুন জাতীয় স্বস্থ্য নীতি প্রণয়ন করা হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশজুড়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন শুরু হয়। বিশেষ করে মা ও শিশুর অপুষ্টি কমিয়ে আনতে জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে আইসিপিডির ১৫টি মূলনীতি বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় জনসংখ্যা নীতি-২০১২ প্রণয়ন করেছি। আমরা পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সহ মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যুহার, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য কমানোর জন্য ব্যাপক কর্মসূচি চালু করেছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বাল্যবিবাহমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সে লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে বাল্যবিবাহের হার কমছে। বিভিন্নভাবে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে।

বিএনপি-জামায়াতের আমলে তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিল:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। নারী-পুরুষের বৈষম্য দূরীকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য এসেছে বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে। তারা কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়। দেশের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায় তখন।

বুধবার (১৫ মে) সকালে ‘আইসিপিডি-৩০ গ্লোবাল ডায়ালগ অন ডেমোগ্রাফিক ডাইভারসিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানকালে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়নকে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক কর্তব্য হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেন। তিনি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ গঠন করেন। আমাদের দুর্ভাগ্য, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর দেশে একটি অগণতান্ত্রিক সরকার এসে একে একে সব অর্জন ধ্বংস করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরপর দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পারি দিয়ে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। সকলের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিৎ করতে নতুন জাতীয় স্বস্থ্য নীতি প্রণয়ন করা হয়। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশজুড়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন শুরু হয়। বিশেষ করে মা ও শিশুর অপুষ্টি কমিয়ে আনতে জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে আইসিপিডির ১৫টি মূলনীতি বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় জনসংখ্যা নীতি-২০১২ প্রণয়ন করেছি। আমরা পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা সহ মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যুহার, মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য কমানোর জন্য ব্যাপক কর্মসূচি চালু করেছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বাল্যবিবাহমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সে লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে বাল্যবিবাহের হার কমছে। বিভিন্নভাবে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে।