ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইফোন ১৮-এ থাকছে নতুন আকর্ষণীয় চমক! Logo শিক্ষা উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ: বাড়তি বই-পরীক্ষা নিয়ে সমালোচনা Logo ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হলো ইসলামিক ব্যাংকিং বিভাগের কোর্স Logo গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে প্রশ্নফাঁসের কোনো সাক্ষ্য মেলেনি: শিক্ষা অধিদপ্তর Logo ব্যাংক সিস্টেমের বাইরে ৩ লাখ কোটি টাকা, বললেন মাসরুর আরেফিন Logo বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারে ক্ষুব্ধ পোশাক খাত: তিন শীর্ষ সংগঠন রুখে দাঁড়ালো Logo ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ, কার ভাগে কত টাকা? Logo শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে বাংলাদেশ Logo ব্রাজিল বিশ্বকাপ দলে নেইমারের স্থান: আসন্ন চ্যালেঞ্জ Logo পিসিবির চিঠি: বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল আইসিসি

বাজার মূলধন বাড়লো আড়াই হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫ ১৭৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই মূল্য সূচক বেড়েছে। এরপরও সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, তার থেকে বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে। বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম কমলেও বেড়েছে বাজার মূলধন। সেই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬৪টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮২টির। আর ৫০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার তালিকার তুলনায় দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে বড় মূলধনের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় বাজার মূলধন বেড়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬২ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা বা দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে ৬৫৫ কোটি টাকা বা দশমিক ১৪ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে ৬ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা বা ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এ হিসাবে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১০ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে বেড়েছে মূল্য সূচক। ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বা দশমিক ২৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৩৭ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক ৭১ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ১১৬ দশমিক ১৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা দশমিক ১৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১১ দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৭ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ৫৬ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ। প্রধান ও ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচক বাড়লেও ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক গত সপ্তাহে কমেছে। গত সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি কমেছে ১১ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের সূচকটি কমে দশমিক ৭২ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ২৭ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৪০ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৪ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- সিটি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ফাইন ফুডস, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো এবং লাভেলো আইসক্রিম।

ট্যাগস :

বাজার মূলধন বাড়লো আড়াই হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া চার কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই মূল্য সূচক বেড়েছে। এরপরও সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, তার থেকে বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে। বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম কমলেও বেড়েছে বাজার মূলধন। সেই সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬৪টির স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮২টির। আর ৫০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ দাম বাড়ার তালিকার তুলনায় দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে বড় মূলধনের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় বাজার মূলধন বেড়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬২ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৭৯১ কোটি টাকা বা দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে ৬৫৫ কোটি টাকা বা দশমিক ১৪ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে বাজার মূলধন বাড়ে ৬ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা বা ১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। এ হিসাবে টানা তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১০ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি গত সপ্তাহে বেড়েছে মূল্য সূচক। ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স গত সপ্তাহে বেড়েছে ১৫ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বা দশমিক ২৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৩৭ দশমিক ১২ পয়েন্ট বা দশমিক ৭১ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ১১৬ দশমিক ১৪ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৭ শতাংশ। প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। গত সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ৩ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বা দশমিক ১৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১১ দশমিক শূন্য ২ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৭ শতাংশ। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ৫৬ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ। প্রধান ও ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচক বাড়লেও ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক গত সপ্তাহে কমেছে। গত সপ্তাহজুড়ে এই সূচকটি কমেছে ১১ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের সূচকটি কমে দশমিক ৭২ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।। তার আগের সপ্তাহে বাড়ে ২৭ দশমিক ৩১ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৪০ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৪ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- সিটি ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ফাইন ফুডস, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো এবং লাভেলো আইসক্রিম।