ঢাকা ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ Logo ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য নিষিদ্ধ চেয়ে আদালতে জয়া আহসান Logo দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনায় সরকার: সেতুমন্ত্রী Logo পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করার মানসিকতাই দুর্নীতির মূল উৎস: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার স্থাপনে প্রস্তুতি, দেড় মাসের মধ্যে জমি পাচ্ছে বিএসএফ

বাউবি শিক্ষকের “নতুন কুঁড়ি” প্রকল্পের উদ্ভাবন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩ ২০৬ বার পঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি:
জন্মের পরে ২৮ দিন পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হলে তাকে নবজাতকের মৃত্যু বলা হয়। বাংলাদেশে নবজাতক শিশুর মৃত্যুহারের অন্যতম প্রধান কারন জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা বা Birth Ashpyxia। ইউনিসেফ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সর্বমোট শিশু মৃত্যুর হার হিসেবে ২৩% শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারন হলো Birth Ashpyxia বা জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা।
দেশে শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের লক্ষ্যে এবং জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয়ে, “নতুন কুঁড়ি” নামে মেশিন লার্নিং ভিত্তিক একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের শিক্ষক জনাব সম্রাট কুমার দে। এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের নির্দিষ্ট হাসপাতাল থেকে নবজাতক শিশুর কান্না সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে Birth Ashpyxia বা জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয় করা হবে।
“নতুন কুঁড়ি” সম্পর্কে প্রকল্প পরিচালক জনাব সম্রাট দে বলেন “চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগামী প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রথমবার নবজাতক শিশুর কান্না বিশ্লেষণের মাধ্যমে জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয় এবং দেশের প্রথম নবজাতকের কান্নার ডাটাসেট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
অতিসম্প্রতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে আইসিটি উদ্ভাবনী ফান্ডের আওতায় “নতুন কুঁড়ি” প্রকল্পটি মনোনীত হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ মনে করে, প্রকল্পটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অভিনব উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন সেবা সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।

বাউবি শিক্ষকের “নতুন কুঁড়ি” প্রকল্পের উদ্ভাবন

আপডেট সময় : ০৭:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ মে ২০২৩

গাজীপুর প্রতিনিধি:
জন্মের পরে ২৮ দিন পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হলে তাকে নবজাতকের মৃত্যু বলা হয়। বাংলাদেশে নবজাতক শিশুর মৃত্যুহারের অন্যতম প্রধান কারন জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা বা Birth Ashpyxia। ইউনিসেফ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সর্বমোট শিশু মৃত্যুর হার হিসেবে ২৩% শিশু মৃত্যুর অন্যতম কারন হলো Birth Ashpyxia বা জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা।
দেশে শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের লক্ষ্যে এবং জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয়ে, “নতুন কুঁড়ি” নামে মেশিন লার্নিং ভিত্তিক একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামের শিক্ষক জনাব সম্রাট কুমার দে। এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের নির্দিষ্ট হাসপাতাল থেকে নবজাতক শিশুর কান্না সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে Birth Ashpyxia বা জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয় করা হবে।
“নতুন কুঁড়ি” সম্পর্কে প্রকল্প পরিচালক জনাব সম্রাট দে বলেন “চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগামী প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। এই প্রথমবার নবজাতক শিশুর কান্না বিশ্লেষণের মাধ্যমে জন্মকালীন শ্বাসরুদ্ধতা নির্ণয় এবং দেশের প্রথম নবজাতকের কান্নার ডাটাসেট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
অতিসম্প্রতি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ থেকে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে আইসিটি উদ্ভাবনী ফান্ডের আওতায় “নতুন কুঁড়ি” প্রকল্পটি মনোনীত হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ মনে করে, প্রকল্পটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অভিনব উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন সেবা সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে।