ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo র‌্যাব-৯ ও র‌্যাব-১৪ এর যৌথ অভিযানে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুলাই শহিদদের স্মরনে আলোচনা সভা Logo ধামরাইয়ে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় কূটনীতিকের বৈঠক, গুরুত্ব পেল বাণিজ্য-বিনিয়োগ Logo লিভার ও হৃদরোগে কর্মহীন কালাম, চিকিৎসার টাকার অভাবে বাঁচার আকুতি Logo বন্যার্তদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিল গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ফোরাম Logo বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকের দায়িত্বে ড. রফিকুল ইসলাম Logo বিশ্বে বাড়ছে চীনের গ্রহণযোগ্যতা, কমছে যুক্তরাষ্ট্রের : প্রভাব পিউ জরিপ Logo ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর জিয়া হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক মেজর মোজাফফর আটক Logo শাওমি নিয়ে এসেছে ফাইন্যান্স-গ্রেড এনক্রিপশন প্রটেকশন ফিচার যুক্ত স্মার্ট ক্যামেরা সি২০১ ও সি৩০১, আউটডোর ক্যামেরা সিডব্লিউ১০০ ডুয়েল

বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন নদী-খালে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ১৬৯ বার পঠিত

মোংলা প্রতিনিধি:
মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে আজ থেকে বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন নদী-খালে সব ধরনের মাছ আহরণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর ও বন বিভাগ। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে ও ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা।
পাশাপাশি প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন রাখতে আগামী ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ সুন্দরবনে তিন মাস বন্ধ থাকবে পর্যটকদের যাতায়াত।

মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এই সময়টাতে কোনোভাবেই জেলেরা সমুদ্রে মাছ আহরণ করতে পারবেন না। নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে সমুদ্র নির্ভর নিবন্ধিত ৩ হাজার ৭৪০ জেলের প্রত্যেককে দুই দফায় ৮৬ কেজি করে চাল দেয়া হবে বলেও জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ‘২০ মে থেকে মৎস্য অধিদপ্তরের জারিকৃত সাগরে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে বন বিভাগেরও একাত্বতা আছে, অর্থাৎ এ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে সুন্দরবনেও।’

এ ছাড়া ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও বন্য প্রাণীর প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এই সময়ও সুন্দরবনের নদী-খালে কোনো প্রকার মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা। সেই সঙ্গে মাছ ও বন্য প্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও।

নৌযান চলাচলে মাছের প্রজনন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত ও নৌযানের বিকট শব্দে বন্য প্রাণীর বিচরণসহ প্রজনন কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়ে থাকে। তাই সুন্দরবনে জেলে ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে তিন মাস।

বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন নদী-খালে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা

আপডেট সময় : ০৭:১৯:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

মোংলা প্রতিনিধি:
মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে আজ থেকে বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবন সংলগ্ন নদী-খালে সব ধরনের মাছ আহরণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর ও বন বিভাগ। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে আগামী ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাগরে ও ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা।
পাশাপাশি প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন রাখতে আগামী ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ সুন্দরবনে তিন মাস বন্ধ থাকবে পর্যটকদের যাতায়াত।

মোংলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। এই সময়টাতে কোনোভাবেই জেলেরা সমুদ্রে মাছ আহরণ করতে পারবেন না। নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে সমুদ্র নির্ভর নিবন্ধিত ৩ হাজার ৭৪০ জেলের প্রত্যেককে দুই দফায় ৮৬ কেজি করে চাল দেয়া হবে বলেও জানান মৎস্য কর্মকর্তা।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, ‘২০ মে থেকে মৎস্য অধিদপ্তরের জারিকৃত সাগরে নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে বন বিভাগেরও একাত্বতা আছে, অর্থাৎ এ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকবে সুন্দরবনেও।’

এ ছাড়া ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মাছ ও বন্য প্রাণীর প্রজনন মৌসুম হওয়ায় এই সময়ও সুন্দরবনের নদী-খালে কোনো প্রকার মাছ শিকার করতে পারবেন না জেলেরা। সেই সঙ্গে মাছ ও বন্য প্রাণীর প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে বন্ধ থাকবে সুন্দরবনে পর্যটনবাহী নৌযান চলাচলও।

নৌযান চলাচলে মাছের প্রজনন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত ও নৌযানের বিকট শব্দে বন্য প্রাণীর বিচরণসহ প্রজনন কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়ে থাকে। তাই সুন্দরবনে জেলে ও পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধ থাকবে তিন মাস।