ঢাকা ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নদীর উপরও মার্শাল ল চলেছে:নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪ ২৪ বার পঠিত

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নদীর উপরও মার্শাল ল চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে উদ্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধুর হাতের ছোঁয়া যে জায়গায় পৌঁছেছে, সেটার অনুভূতি অন্যরকম বিষয়। বঙ্গবন্ধু যেখানে হাত দিয়েছেন, সোনায় পরিণত হয়েছে। মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। চ্যানেলে নাব্যতা সমস্যা রয়েছে। সেগুলো দূর করার জন্য বিআইডব্লিউটিএ কাজ করছে। আমরা এক্সপার্ট দিয়ে কাজ করতে চাই। এই চ্যানেলের ড্রেজিং কাজটি নিখুঁত হতে হবে। এটি বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকল রুটের অংশ।

প্রতিমন্ত্রী ৯ জুন রোববার  ঢাকায় মতিঝিলস্থ বিআইডব্লিউটিএ ভবনে বিআইডব্লিউটিএ এবং ইউএসএইড আয়োজিত ‘মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল আপগ্রেডিং প্রজেক্ট-কনসেপচুয়াল স্টাডি’ বিষয়ক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল, বিআইডব্লিউটিসির সদস্য (প্রকৌশল) মোহাম্মদ মনোয়ার উজ জামান এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংএ ও পরিচালক রুবায়েত আলম। ইউএসএইড এর টিম লিডার জীন হেনরী লেবোয়রী (Jean Henry Laboyrie) মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নৌপথের নাব্যতা ধরে রাখার জন্য ১৯৭৫ সালে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর কোন সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান কোন ড্রেজার সংগ্রহ করেননি। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিআইডব্লিউটিতে ৩৮টি নতুন ড্রেজার সংযুক্ত হয়ে ৪৫টি হয়েছে। আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে যদি সপরিবারের হত্যা করা না হতো, তাহলে আজকে ৫৪ বছর পর এত সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হতো না, সবকিছু স্মুথলি চলতো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কোন সরকার নাব্যতা, সিলটেশন ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেনি, কোন কাজ করেনি, শুধু রুটিন ওয়ার্ক করেছে। ইমারজেন্সি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। নদীর ওপর মার্শাল ল’ শাসন চলেছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিআইডব্লিউটিএ’র ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর বালু নদীতে ফেলা হয় না। শুধু ইমার্জেন্সি ফেরি রুট ও নৌরুট খননের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েছেন বলে নৌপথ খননে ড্রেজারের অভাব নেই। সরকারি ও বেসরকারি মিলে প্রায় ২০০ ড্রেজার রয়েছে। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই এই পরিবর্তন এসেছে। তিনি জানান, ২০১০ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেলটির নাব্যতা বজায় রেখেছিল। মোংলা বন্দরে কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য ২০১৩-১৪ সালের দিকে ক্যাপিটাল ড্রেজিং শুরু করা হয়েছিল। বর্তমানে চ্যানেলটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর প্রয়োজন হচ্ছে। আজকের এই কনসেপচুয়াল স্টাডি থেকে লব্ধ জ্ঞান ফিজিবিলিটি স্টাডিতে কাজে লাগবে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নদীর উপরও মার্শাল ল চলেছে:নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৫০:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নদীর উপরও মার্শাল ল চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে উদ্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধুর হাতের ছোঁয়া যে জায়গায় পৌঁছেছে, সেটার অনুভূতি অন্যরকম বিষয়। বঙ্গবন্ধু যেখানে হাত দিয়েছেন, সোনায় পরিণত হয়েছে। মোংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথটিকে সংরক্ষণ করতে হবে। চ্যানেলে নাব্যতা সমস্যা রয়েছে। সেগুলো দূর করার জন্য বিআইডব্লিউটিএ কাজ করছে। আমরা এক্সপার্ট দিয়ে কাজ করতে চাই। এই চ্যানেলের ড্রেজিং কাজটি নিখুঁত হতে হবে। এটি বাংলাদেশ-ভারত নৌ প্রটোকল রুটের অংশ।

প্রতিমন্ত্রী ৯ জুন রোববার  ঢাকায় মতিঝিলস্থ বিআইডব্লিউটিএ ভবনে বিআইডব্লিউটিএ এবং ইউএসএইড আয়োজিত ‘মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেল আপগ্রেডিং প্রজেক্ট-কনসেপচুয়াল স্টাডি’ বিষয়ক ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল, বিআইডব্লিউটিসির সদস্য (প্রকৌশল) মোহাম্মদ মনোয়ার উজ জামান এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংএ ও পরিচালক রুবায়েত আলম। ইউএসএইড এর টিম লিডার জীন হেনরী লেবোয়রী (Jean Henry Laboyrie) মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নৌপথের নাব্যতা ধরে রাখার জন্য ১৯৭৫ সালে সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর কোন সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান কোন ড্রেজার সংগ্রহ করেননি। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিআইডব্লিউটিতে ৩৮টি নতুন ড্রেজার সংযুক্ত হয়ে ৪৫টি হয়েছে। আরো ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের কাজ চলমান। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে যদি সপরিবারের হত্যা করা না হতো, তাহলে আজকে ৫৪ বছর পর এত সমস্যা নিয়ে কথা বলতে হতো না, সবকিছু স্মুথলি চলতো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কোন সরকার নাব্যতা, সিলটেশন ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেনি, কোন কাজ করেনি, শুধু রুটিন ওয়ার্ক করেছে। ইমারজেন্সি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। নদীর ওপর মার্শাল ল’ শাসন চলেছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিআইডব্লিউটিএ’র ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর বালু নদীতে ফেলা হয় না। শুধু ইমার্জেন্সি ফেরি রুট ও নৌরুট খননের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয়। প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়েছেন বলে নৌপথ খননে ড্রেজারের অভাব নেই। সরকারি ও বেসরকারি মিলে প্রায় ২০০ ড্রেজার রয়েছে। সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই এই পরিবর্তন এসেছে। তিনি জানান, ২০১০ সাল পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএ মোংলা-ঘাষিয়াখালী চ্যানেলটির নাব্যতা বজায় রেখেছিল। মোংলা বন্দরে কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য ২০১৩-১৪ সালের দিকে ক্যাপিটাল ড্রেজিং শুরু করা হয়েছিল। বর্তমানে চ্যানেলটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মেইনটেনেন্স ড্রেজিং এর প্রয়োজন হচ্ছে। আজকের এই কনসেপচুয়াল স্টাডি থেকে লব্ধ জ্ঞান ফিজিবিলিটি স্টাডিতে কাজে লাগবে।