ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফারাক্কা চুক্তি নিয়ে মোদি সরকারের সমালোচনা করলেন মমতা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩ ৭ বার পঠিত

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

ধ্রিমল দত্ত, ১৯৯৬ সালে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ফারাক্কা জল নিয়ে বাংলাদেশের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এলাকার উন্নয়নের জন্য ৭০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজও তা হয়নি বলে যুক্তি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে, মুখ্যমন্ত্রী সোমবার (১৬ জানুয়ারি) মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি এলাকায় এক সমাবেশে বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদে সব আছে। আছে গঙ্গা-পদ্মা। গঙ্গা-ভাগীরথী আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। কিন্তু আজ এখানে নদী ভাঙ্গনে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত ছিল নদীর এই ভাঙন বন্ধ করা। আমরা তাদের বলি, নদীর ভাঙন রোধ করতে না পারলে আমাদের টাকা ফেরত দিন। ভাঙন রোধে যা করা দরকার তাই করতে হবে। তা না হলে আমরা ছাড়ব না।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে আসামে ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন (এনআরসি) এর কারণে হাজার হাজার মানুষ বিপদে পড়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মকর্তার দল সেখানে যায় না। উত্তরপ্রদেশে হিংসা হলে কেন্দ্রীয় দল যায় না। আর এখানে বিজেপিকে উইপোকা কামড়ানোর পরই কেন্দ্রীয় দল এসেছে। ঘরে ঢুকলেই পোকামাকড় আসে। এমনকি যখন একটি চকলেট বোমা বিস্ফোরিত হয়, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তদন্ত করতে আসে। রাজ্যকে উস্কে দিতেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।

ট্যাগস :

ফারাক্কা চুক্তি নিয়ে মোদি সরকারের সমালোচনা করলেন মমতা

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৩

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ

ধ্রিমল দত্ত, ১৯৯৬ সালে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ফারাক্কা জল নিয়ে বাংলাদেশের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এলাকার উন্নয়নের জন্য ৭০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজও তা হয়নি বলে যুক্তি দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে, মুখ্যমন্ত্রী সোমবার (১৬ জানুয়ারি) মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি এলাকায় এক সমাবেশে বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদে সব আছে। আছে গঙ্গা-পদ্মা। গঙ্গা-ভাগীরথী আমাদের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। কিন্তু আজ এখানে নদী ভাঙ্গনে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত ছিল নদীর এই ভাঙন বন্ধ করা। আমরা তাদের বলি, নদীর ভাঙন রোধ করতে না পারলে আমাদের টাকা ফেরত দিন। ভাঙন রোধে যা করা দরকার তাই করতে হবে। তা না হলে আমরা ছাড়ব না।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন যে আসামে ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন (এনআরসি) এর কারণে হাজার হাজার মানুষ বিপদে পড়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মকর্তার দল সেখানে যায় না। উত্তরপ্রদেশে হিংসা হলে কেন্দ্রীয় দল যায় না। আর এখানে বিজেপিকে উইপোকা কামড়ানোর পরই কেন্দ্রীয় দল এসেছে। ঘরে ঢুকলেই পোকামাকড় আসে। এমনকি যখন একটি চকলেট বোমা বিস্ফোরিত হয়, ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তদন্ত করতে আসে। রাজ্যকে উস্কে দিতেই এমনটা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে তৃণমূল।