ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ভুয়া ভাউচার, অর্থ লেনদেন, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও দালালচক্র তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালীর অপসারণ দাবি Logo ২ বছরের ওয়ারেন্টিসহ দেশের বাজারে শাওমি নিয়ে এলো রেডমি নোট ১৭ সিরিজ Logo সায়মন তারিকের নেতৃত্বে এফডিসিতে ‘চলচ্চিত্র কল্যাণ সোসাইটি’র আত্মপ্রকাশ Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে মেসির প্রত্যাবর্তন, মনোনয়ন পেলেন না রোনালদো Logo বন্যার পর তিব্বতে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প, নেপালেও অনুভূত কম্পন Logo আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ১১০৮ টাকা Logo ১২ বছরের পথচলা উদযাপন: দেশজুড়ে সেরা ডিল ও ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে শুরু হচ্ছে দারাজ ৯.৯ অ্যানিভার্সারি সেল ৮০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও ৬৪ জেলায় ফ্রি ডেলিভারির বিশেষ সুযোগ Logo জবিতে ২০ শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র প্রদর্শন, অনুষ্ঠিত হলো ‘৩৫ মিলিমিটার-২০২৬’ উৎসব Logo ঢাকাতেও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব থাকবে, জানাল সরকার Logo বিগ ব্যাশে খেলতে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন মার্ক চ্যাপম্যান

প্রকৃতির পালাবদলে আগমন ঘটল ঋতুকন্যা হেমন্তের, আসছে শীত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩ ১৯৬ বার পঠিত

কালীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার আচ্ছাদন। হেমন্ত মানেই প্রভাতের শিশির ভেজা শিউলি। ঝিরিঝিরি বাতাসে দোল খাওয়া ধব ধবে কাশবন। আকাশেও নেই কোন মেঘমালা। নীল আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা। নদীর কুলে ফুলে ফুলে সুশোভিত সাদা কাঁশবন। শিশিরস্নাত ভোর দেখে হয়তো মনে হবে যেন শীতকাল। বাংলার প্রকৃতি যেন আজ অনেকটাই মসৃণ।

বাতাসে শীতের আনাগোনা না থাকলেও অতটা তীব্রতা নেই রোদের তাপ। তবে দুপুর বেলায় রোদের তাপের তীব্রতা একটু বেশী থাকলেও সূর্য হেলে গেলেই তা কমে যায়। বাংলার এমন প্রকৃতি দেখে সবাই বুঝে এটি হেমন্তের কার্তিক। গ্রামের দিকে বিকেলে আর শেষ রাতে অনুভূত হয় শীতল আমেজ। বর্ষা পেরিয়ে এ সময় প্রকৃতি সেজেছে গাঢ় সবুজে। নীল আকাশ, শুভ্র কাঁশবন আর সবুজ গাছ গাছালিতে বাংলার গ্রামের দৃশ্য পট যেন ছবির মতই সুন্দর শুভ্র সুন্দর মনে হয়।
বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে কার্তিক মাসের আজ ২২তারিখ। কার্তিক মাসে প্রকৃতি স্বচ্ছ সবুজ থাকে বলেই ভ্রমণ পিপাসুরা প্রকৃতি উপভোগ করতে বেরিয়ে পরে শ্যামল বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে।

কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় লিখে গেছেন, ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় / হয়তো মানুষ নয় হয়তোবা শাঁখচিল শালিকের বেশে,/ হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে/ কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব কাঁঠাল ছায়ায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের উত্তর সোম গ্রামের ধানের ক্ষেতের চিত্র। সেখানে ধানের জমি এখনো সবুজ বর্ণের রং ধারন করে নাই। ধান পাকা বা ধান গাছ হলুদ বর্ণ ধারন করতে শুরু করলেই কৃষক ধান কাটা শুরু করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর সোম গ্রামের প্রইিমারি স্কুল শিক্ষক কাজী নজরুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান, অগ্রাহায়নের মাঝামাঝি সময়ে ধান পাকতে শুরু করে। কার্তিকে বাংলার মাঠে ঘাটে সবুজ ফলের বুকে প্রাণ ফিরে পায়। সবুজ ধান পেকে সোনালী বর্ণ ধারন করে। সোনালী প্রান্তরে বেড়ে যায় কৃষকের ব্যস্ততা। কার্তিকের শেষ দিকে গ্রামের মাঠে পড়ে যায় ধান কাটার ধুম। ছড়িয়ে পড়ে নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ।

তিনি আরো জানান, অগ্রাহায়নে কাটা হয় সেই নতুন ধান। কৃষকের ঘরে ঘরে শুরু হয় নবান্নের উৎসব। মৌ মৌ গন্ধই আওয়াজ দিচ্ছে শীতের আগাম বার্তা। ভোরের আর সন্ধ্যার ঠিক আগের আকাশও বলছে শীত আর বেশি দূরে নেই।

প্রকৃতির পালাবদলে আগমন ঘটল ঋতুকন্যা হেমন্তের, আসছে শীত

আপডেট সময় : ০৭:১০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ নভেম্বর ২০২৩

কালীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার আচ্ছাদন। হেমন্ত মানেই প্রভাতের শিশির ভেজা শিউলি। ঝিরিঝিরি বাতাসে দোল খাওয়া ধব ধবে কাশবন। আকাশেও নেই কোন মেঘমালা। নীল আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা। নদীর কুলে ফুলে ফুলে সুশোভিত সাদা কাঁশবন। শিশিরস্নাত ভোর দেখে হয়তো মনে হবে যেন শীতকাল। বাংলার প্রকৃতি যেন আজ অনেকটাই মসৃণ।

বাতাসে শীতের আনাগোনা না থাকলেও অতটা তীব্রতা নেই রোদের তাপ। তবে দুপুর বেলায় রোদের তাপের তীব্রতা একটু বেশী থাকলেও সূর্য হেলে গেলেই তা কমে যায়। বাংলার এমন প্রকৃতি দেখে সবাই বুঝে এটি হেমন্তের কার্তিক। গ্রামের দিকে বিকেলে আর শেষ রাতে অনুভূত হয় শীতল আমেজ। বর্ষা পেরিয়ে এ সময় প্রকৃতি সেজেছে গাঢ় সবুজে। নীল আকাশ, শুভ্র কাঁশবন আর সবুজ গাছ গাছালিতে বাংলার গ্রামের দৃশ্য পট যেন ছবির মতই সুন্দর শুভ্র সুন্দর মনে হয়।
বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে কার্তিক মাসের আজ ২২তারিখ। কার্তিক মাসে প্রকৃতি স্বচ্ছ সবুজ থাকে বলেই ভ্রমণ পিপাসুরা প্রকৃতি উপভোগ করতে বেরিয়ে পরে শ্যামল বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে।

কবি জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় লিখে গেছেন, ‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় / হয়তো মানুষ নয় হয়তোবা শাঁখচিল শালিকের বেশে,/ হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে/ কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব কাঁঠাল ছায়ায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের উত্তর সোম গ্রামের ধানের ক্ষেতের চিত্র। সেখানে ধানের জমি এখনো সবুজ বর্ণের রং ধারন করে নাই। ধান পাকা বা ধান গাছ হলুদ বর্ণ ধারন করতে শুরু করলেই কৃষক ধান কাটা শুরু করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর সোম গ্রামের প্রইিমারি স্কুল শিক্ষক কাজী নজরুল ইসলাম প্রতিবেদককে জানান, অগ্রাহায়নের মাঝামাঝি সময়ে ধান পাকতে শুরু করে। কার্তিকে বাংলার মাঠে ঘাটে সবুজ ফলের বুকে প্রাণ ফিরে পায়। সবুজ ধান পেকে সোনালী বর্ণ ধারন করে। সোনালী প্রান্তরে বেড়ে যায় কৃষকের ব্যস্ততা। কার্তিকের শেষ দিকে গ্রামের মাঠে পড়ে যায় ধান কাটার ধুম। ছড়িয়ে পড়ে নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধ।

তিনি আরো জানান, অগ্রাহায়নে কাটা হয় সেই নতুন ধান। কৃষকের ঘরে ঘরে শুরু হয় নবান্নের উৎসব। মৌ মৌ গন্ধই আওয়াজ দিচ্ছে শীতের আগাম বার্তা। ভোরের আর সন্ধ্যার ঠিক আগের আকাশও বলছে শীত আর বেশি দূরে নেই।