ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুরুষ আর নারীদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ভিন্ন কেন?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলি কিছুটা আলাদা হয়। এর প্রধান কারণ শরীরের গঠন। হার্ট অ্যাটাক এড়াতে সবার আগে এই লক্ষণগুলোকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে।

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের হার্টের গড় গঠন ছোট হয়। বেশ কিছু কার্ডিওভাসকুলার পার্থক্যও পরিলক্ষিত হয়। যা থেকে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণও আলাদা হয়ে যায়।

হার্ট অ্যাটাকের সময় হার্টের পেশীর কার্যক্ষমতা কমে যায়। কারণ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। অক্সিজেন ছাড়া কোন পেশী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিপদ ঘটে। পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলির মধ্যে পার্থক্যগুলো হল-

বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি: বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি প্রায়ই পুরুষদের প্রধান উপসর্গ। মহিলাদের মধ্যে, বুকে ব্যথা ছাড়াও আরও বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে চোয়াল, গলা, ঘাড় এবং পেটের ব্যথা। অনেক নারীর মাথা ঘোরা, ঘেমে যাওয়া, বমি বমি ভাব লক্ষণ দেখা যায়।

হার্ট ব্লকেজ: ব্লকেজের কারণেই হার্টে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে, বেশ কয়েকটি গবেষণায় পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে এই হার্ট ব্লকেজ আলাদা আলাদা হতে দেখা গেছে।

দেখা গেছে পুরুষদের ক্ষেত্রে হার্টের ধমনীগুলোতে ব্লকেজ হয়। কোলেস্টেরল জমে এই ব্লকেজ তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে হার্টের সবচেয়ে ছোট রক্তনালি মাইক্রোভাসকুলেচারে এই ব্লকেজ হয়।

মহিলাদের হৃদয় পুরুষদের তুলনায় আকারে ছোট। এছাড়া পুরুষদের তুলনায় নারীদের রক্তনালির গড় বেধও কম হয়।

হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণগুলো-

১. বুকের বাম পাশে ব্যথা বা অস্বস্তি। ব্যথা ধীরে ধীরে বগলে ছড়িয়ে পড়ে। মহিলাদের ক্ষেত্রে চোয়াল, গলা, এমনকি থুতনি পর্যন্ত ব্যথা হয়। এমনকি পেটেও ব্যথা হতে পারে।

২. মাথা ঘোরা

৩. বমি বমি ভাব

৪. গরম না থাকলেও ঘাম হওয়া

৫. শ্বাসকষ্টও হতে পারে

এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি।

পুরুষ আর নারীদের হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ভিন্ন কেন?

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলি কিছুটা আলাদা হয়। এর প্রধান কারণ শরীরের গঠন। হার্ট অ্যাটাক এড়াতে সবার আগে এই লক্ষণগুলোকে সঠিকভাবে বুঝতে হবে।

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের হার্টের গড় গঠন ছোট হয়। বেশ কিছু কার্ডিওভাসকুলার পার্থক্যও পরিলক্ষিত হয়। যা থেকে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণও আলাদা হয়ে যায়।

হার্ট অ্যাটাকের সময় হার্টের পেশীর কার্যক্ষমতা কমে যায়। কারণ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। অক্সিজেন ছাড়া কোন পেশী সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিপদ ঘটে। পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলির মধ্যে পার্থক্যগুলো হল-

বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি: বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি প্রায়ই পুরুষদের প্রধান উপসর্গ। মহিলাদের মধ্যে, বুকে ব্যথা ছাড়াও আরও বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে চোয়াল, গলা, ঘাড় এবং পেটের ব্যথা। অনেক নারীর মাথা ঘোরা, ঘেমে যাওয়া, বমি বমি ভাব লক্ষণ দেখা যায়।

হার্ট ব্লকেজ: ব্লকেজের কারণেই হার্টে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে, বেশ কয়েকটি গবেষণায় পুরুষ এবং মহিলাদের মধ্যে এই হার্ট ব্লকেজ আলাদা আলাদা হতে দেখা গেছে।

দেখা গেছে পুরুষদের ক্ষেত্রে হার্টের ধমনীগুলোতে ব্লকেজ হয়। কোলেস্টেরল জমে এই ব্লকেজ তৈরি হয়। নারীদের ক্ষেত্রে হার্টের সবচেয়ে ছোট রক্তনালি মাইক্রোভাসকুলেচারে এই ব্লকেজ হয়।

মহিলাদের হৃদয় পুরুষদের তুলনায় আকারে ছোট। এছাড়া পুরুষদের তুলনায় নারীদের রক্তনালির গড় বেধও কম হয়।

হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণগুলো-

১. বুকের বাম পাশে ব্যথা বা অস্বস্তি। ব্যথা ধীরে ধীরে বগলে ছড়িয়ে পড়ে। মহিলাদের ক্ষেত্রে চোয়াল, গলা, এমনকি থুতনি পর্যন্ত ব্যথা হয়। এমনকি পেটেও ব্যথা হতে পারে।

২. মাথা ঘোরা

৩. বমি বমি ভাব

৪. গরম না থাকলেও ঘাম হওয়া

৫. শ্বাসকষ্টও হতে পারে

এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে রোগীকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি।