ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পিকে হালদারের মামলায় ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ ১২ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং মামলায় গ্লোবাল ইসলামী (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে দুই ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৫ জন সাক্ষ্য দেন। পরীক্ষা শেষে আগামী ২৫ জানুয়ারি তাদের নেওয়ার দিন ধার্য করেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন সাদবীর ইয়াছির, আহসান চৌধুরী, আশেম ইমাম ও মোরশেদ আল মামুন ভূঁইয়া, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট নকিবুল ইসলাম ও খিলগাঁওয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এসএম শফিউল বারী। মামলায় ১০৬ সাক্ষীর মধ্যে ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এদিকে এ মামলায় শেষ সাক্ষী হিসেবে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিনকে তলব করা হবে বলে বিচার বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে। সাক্ষ্য দিলে মামলার শুনানি শেষ।

সাক্ষ্যগ্রহণকালে কারাগারে থাকা চার আসামি অবন্তিকা বড়াল, শঙ্খ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এ ছাড়া পিকে হালদারসহ ১০ আসামি পলাতক রয়েছে। বাকি পলাতকরা হলেন পিকে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় এবং স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, পিকে হালদার তার দখলে রেখেছেন অবৈধ কোটি টাকার সম্পদ। এ ছাড়া টাকা আড়াল করতে বিদেশে পাচার করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধও করেছেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন।

ট্যাগস :

পিকে হালদারের মামলায় ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

আপডেট সময় : ০৬:১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং মামলায় গ্লোবাল ইসলামী (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল) ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

বুধবার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে দুই ম্যাজিস্ট্রেটসহ ৫ জন সাক্ষ্য দেন। পরীক্ষা শেষে আগামী ২৫ জানুয়ারি তাদের নেওয়ার দিন ধার্য করেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন সাদবীর ইয়াছির, আহসান চৌধুরী, আশেম ইমাম ও মোরশেদ আল মামুন ভূঁইয়া, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট নকিবুল ইসলাম ও খিলগাঁওয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এসএম শফিউল বারী। মামলায় ১০৬ সাক্ষীর মধ্যে ৯৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম।

এদিকে এ মামলায় শেষ সাক্ষী হিসেবে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিনকে তলব করা হবে বলে বিচার বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে। সাক্ষ্য দিলে মামলার শুনানি শেষ।

সাক্ষ্যগ্রহণকালে কারাগারে থাকা চার আসামি অবন্তিকা বড়াল, শঙ্খ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এ ছাড়া পিকে হালদারসহ ১০ আসামি পলাতক রয়েছে। বাকি পলাতকরা হলেন পিকে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজীব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় এবং স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, পিকে হালদার তার দখলে রেখেছেন অবৈধ কোটি টাকার সম্পদ। এ ছাড়া টাকা আড়াল করতে বিদেশে পাচার করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধও করেছেন। মামলাটি তদন্ত করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন।