ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়:প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪ ২০৭ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আজ (২ ডিসেম্বর) ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য দূর হবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সব জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।প্রধান উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

ট্যাগস :

পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়:প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:১৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। আজ (২ ডিসেম্বর) ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, দেশের মোট আয়তনের এক দশমাংশ এলাকায় পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই পার্বত্য অঞ্চলকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য জেলাসমূহের নৈসর্গিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্পের প্রসারে স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে নানামুখী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে বেকারত্ব হ্রাস পাবে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জীবনযাত্রার উন্নতি ও সামাজিক বৈষম্য দূর হবে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সব জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বলেন, ১৯৯৭ সালের এই দিনে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এটি একটি রাজনৈতিক চুক্তি ছিল যা শান্তি চুক্তি নামেও পরিচিত। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।প্রধান উপদেষ্টা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি দিবস-২০২৪ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।