ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাঠ্যবইয়ে অসঙ্গতি বাতিল করতে হবে : ফখরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩ ৯ বার পঠিত

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় সংস্কৃতি, জীবনমান ও মূল্যবোধবিরোধী কর্মকাণ্ড তারা মেনে নিতে পারে না। আমাদের বক্তব্য হলো পাঠ্যবইয়ের অসঙ্গতি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। আমরা সমস্যা তৈরি করছি না, সরকার সমস্যা তৈরি করছেন।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কম্বাইন্ড ভোকেশনাল কাউন্সিল অব বাংলাদেশ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের অনির্বাচিত সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে অজ্ঞান। তবে ১৯৭২-১৯৭৫ সালে কেন তাদের গণতন্ত্র কেড়ে নিতে হয়েছিল জানতে চাইলে তাদের শরীরে আগুন দেওয়া হয়। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চাই, আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই, আমরা ভোটের অধিকার চাই, আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন কেউ ভোট দিতে চায় না। বর্তমানে যে সংসদ আছে তা আওয়ামী লীগের একদলীয় ক্লাব। তাই আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথে রক্ত ও জীবন দিতে হচ্ছে। আমরা এখনো আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে চাই, দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই।

গণআন্দোলনের ঢেউয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে, আপনারা কী ভোট দেবেন? তাদের গণতন্ত্র হলো বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাইরে একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এটা স্পষ্ট যে বাংলাদেশিরা না খেয়েও হাসে। তারা একটি গণতান্ত্রিক দেশে কথা বলতে চায়, মৌলিক অধিকার নিয়ে তাদের কোনো অঙ্গীকার নেই। এ জন্য বিএনপির ঘোষিত ১০ দফার প্রথম দাবি এই সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্র্বতী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন। জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করব।

 

ট্যাগস :

পাঠ্যবইয়ে অসঙ্গতি বাতিল করতে হবে : ফখরুল

আপডেট সময় : ০৭:৫২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট ঃ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পাঠ্যপুস্তকে ধর্মীয় সংস্কৃতি, জীবনমান ও মূল্যবোধবিরোধী কর্মকাণ্ড তারা মেনে নিতে পারে না। আমাদের বক্তব্য হলো পাঠ্যবইয়ের অসঙ্গতি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। আমরা সমস্যা তৈরি করছি না, সরকার সমস্যা তৈরি করছেন।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কম্বাইন্ড ভোকেশনাল কাউন্সিল অব বাংলাদেশ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের অনির্বাচিত সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে অজ্ঞান। তবে ১৯৭২-১৯৭৫ সালে কেন তাদের গণতন্ত্র কেড়ে নিতে হয়েছিল জানতে চাইলে তাদের শরীরে আগুন দেওয়া হয়। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চাই, আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই, আমরা ভোটের অধিকার চাই, আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন কেউ ভোট দিতে চায় না। বর্তমানে যে সংসদ আছে তা আওয়ামী লীগের একদলীয় ক্লাব। তাই আজ স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথে রক্ত ও জীবন দিতে হচ্ছে। আমরা এখনো আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে চাই, দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই।

গণআন্দোলনের ঢেউয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, দেশে এক ব্যক্তির শাসন চলছে, আপনারা কী ভোট দেবেন? তাদের গণতন্ত্র হলো বহুদলীয় গণতন্ত্রের বাইরে একদলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এটা স্পষ্ট যে বাংলাদেশিরা না খেয়েও হাসে। তারা একটি গণতান্ত্রিক দেশে কথা বলতে চায়, মৌলিক অধিকার নিয়ে তাদের কোনো অঙ্গীকার নেই। এ জন্য বিএনপির ঘোষিত ১০ দফার প্রথম দাবি এই সরকারের পদত্যাগ, সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্র্বতী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন। জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করব।