পাচারের অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা
- আপডেট সময় : ০২:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪ ১৪৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।
পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে ওয়াশিংটন থেকে কারিগরি সহযোগিতা নেওয়া হবে এমন ইঙ্গিত দিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পাচার হওয়া অর্থের অলরেডি (ইতোমধ্যে) একটা টাস্কফোর্স আছে এবং গভর্নরের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটার জন্য কিছু কারিগরি সহযোগিতা লাগবে। উনি ওয়াশিংটন গেছেন, আমরাও যাচ্ছি। ওখান থেকে আনা হবে। অতএব এটা আমাদের একটা প্রায়োরিটি (অগ্রাধিকার)। এটা নিয়ে কাজ হচ্ছে।
রোববার (২০ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে অনেক রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠক হয়েছে, সেখানে তারা দাবি করেছে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার জন্য কমিশন গঠন করা নিয়ে। এটার কি সিদ্ধান্ত হয়েছে? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, পাচার হওয়া অর্থের অলরেডি একটা টাস্কফোর্স আছে এবং গভর্নরের সঙ্গে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাচার করা অর্থ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বের করা করেছে, কোথায় করেছে এগুলো…।
কতোদিনের মধ্যে ফেরত আসতে পারে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সেটা বলা যাবে না। কাজ তো শুরু হয়ে গেছে অলরেডি। গিয়েছে অনেক বছর ধরে, হঠাৎ করে ফেরত আসার সম্পর্কে এখন আমার কাছে জানতে চাচ্ছেন। অ্যাকটিভলি কাজ শুরু হয়ে গেছে।
ডিম আমদানির পর ডিমের বাজারে স্বস্তি এসেছে, কিন্তু সবজির বাজারে এখনো স্বস্তি আসেনি। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, সবজি সিজনাল, সবজির বাজারে স্বস্তি আসবে। সবগুলোতে স্বস্তি আসবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. জাকির হোসেন চৌধুরী টাস্কফোর্সের কার্যাবলি সমন্বয় করবেন এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট টাস্কফোর্সকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।
এর আগে ২০২২ সালের ৫ মে এ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স গঠন করে সরকার। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি এটি পুনর্গঠন করা হয়। ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি পুনর্গঠিত টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এর সদস্য ছিলেন- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের একজন কমিশনার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালক (মানিলন্ডারিং), আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখার যুগ্ম সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব, আইন ও বিচার বিভাগ, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের মহাপরিচালক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্সের মহাপরিচালক, সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ফিনান্সিয়াল ক্রাইম), বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের নির্বাহী পরিচালক। সদস্য সচিব ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের উপপ্রধান কর্মকর্তা।
















