ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া চৌমাথা সড়কের বেহাল দশা, সংস্কারে আশ্বাস দিলেন এমপি ইলেন ভুট্টা Logo গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানা থেকে কমপ্রেসর ও পাইপ জব্দ Logo সিএমপির ডিবি বন্দর বিভাগের অভিযানে ৪০ লাখ টাকার আত্মসাৎকৃত ক্রোকারিজ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ Logo নওগাঁ চেম্বারের নবায়ন ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ জরুরি সাধারণ সভা ও নির্বাচন দাবিতে প্রশাসকের কাছে ব্যবসায়ীদের আবেদন Logo রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর Logo নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে পাকিস্তান বিধ্বস্ত, ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ Logo ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে হাজার কোটি টাকার প্রত্নসম্পদের রহস্য, আসল সরিয়ে রাখা হয়েছে নকল Logo জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে কমছে ইলিশ, বলছেন গবেষকরা Logo ট্রাম্প মানেই কি সংঘাত আর যুদ্ধ Logo শেষ বিকেলে তাসকিন-তাইজুলের আগুনে বোলিং, জয়ের পথে বাংলাদেশ

পাইপ ফেটে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩ ১৬৩ বার পঠিত

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্টিম পাইপ ফেটে যাওয়ায় তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে দৈনিক ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তিন ইউনিটবিশিষ্ট এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে এক নম্বর ইউনিট চালু আছে, যা থেকে ৭৫-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন এলাকায় তিনটি ইউনিট নিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কারিগরি কারণে একটি ইউনিটকে পর্যায়ক্রমে ওভার হোলিং এ রেখে দুইটি ইউনিট চালু রাখা হয়। বর্তমানে এক ও তিন নম্বর ইউনিট চালু ছিল।
চালু থাকা দুটি ইউনিটের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটের স্টিম পাইপ ফেটে যায়। এর ফলে ওই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। আর এই ইউনিট উৎপাদনে রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ টন কয়লা ব্যবহার কার হয়।
বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে ৭০-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ওখানে প্রচন্ড গরম থাকায় ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠান্ডা হলেই মেরামত শুরু হবে। এতে একদিন সময় লাগতে পারে।
তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের কেমন ঘাটতি হবে- এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন ইউনিট থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হতো উৎপাদন ঘাটতি হবে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে।

পাইপ ফেটে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৩

চৌধুরী নুপুর নাহার তাজ, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্টিম পাইপ ফেটে যাওয়ায় তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে দৈনিক ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে। তিন ইউনিটবিশিষ্ট এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে এক নম্বর ইউনিট চালু আছে, যা থেকে ৭৫-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন এলাকায় তিনটি ইউনিট নিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। কারিগরি কারণে একটি ইউনিটকে পর্যায়ক্রমে ওভার হোলিং এ রেখে দুইটি ইউনিট চালু রাখা হয়। বর্তমানে এক ও তিন নম্বর ইউনিট চালু ছিল।
চালু থাকা দুটি ইউনিটের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় তৃতীয় ইউনিটের স্টিম পাইপ ফেটে যায়। এর ফলে ওই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ২৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। আর এই ইউনিট উৎপাদনে রাখতে প্রতিদিন ২ হাজার ৬০০ টন কয়লা ব্যবহার কার হয়।
বর্তমানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এক নম্বর ইউনিট থেকে ৭০-৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ওখানে প্রচন্ড গরম থাকায় ঠান্ডা করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঠান্ডা হলেই মেরামত শুরু হবে। এতে একদিন সময় লাগতে পারে।
তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের কেমন ঘাটতি হবে- এমন প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট সম্পন্ন ইউনিট থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হতো উৎপাদন ঘাটতি হবে। এতে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে।