ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নায়িকা হয়েই মরতে চান নূতন!

বিনোদন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪ ২৬ বার পঠিত

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের জনপ্রিয় নায়িকা নূতন। মূল থেকে পার্শ্ব প্রায় তিন শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। সত্তর-আশির দশকে সুজাতা, সুচন্দা, কবরী, শাবানা, ববিতার ভীড়ে তিনিও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে এসেছিলেন। মিষ্টি চেহারা আর নৃত্যব্যঞ্জনায় দর্শক পরিচিতি আর জনপ্রিয়তা পেতে সময় লাগেনি তার। দ্রুতই তাই সময় আর দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

স্বাধীনতার আগেই সিনেমাতে অভিষেক ঘটেছিল নূতনের। আকষর্ণীয় চেহারার এই তরুণীর তখন স্বপ্ন ছিল গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন থাকলেও ৬৯ সালে মুস্তফা মেহমুদ পরিচালিত ‘নতুন প্রভাত’ ছবিতে তার অভিষেক ঘটলে স্বপ্নের পথ পাল্টে যায়। নতুন এক দরজাও যেন উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।

এরপর কত না ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ‘রাজনর্তকী’, ‘পাগলা রাজা’, ‘রাজলক্ষী শ্রীকান্ত’, ‘বসুন্ধরা’, ‘প্রাণসজনী’ ‘প্রেমবন্ধন’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘মানসী’, ‘রাজমহল’, অবিচার’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘বদলা’, ‘ননদভাবী’, ‘রাঙাভাবী’, ‘অলংকার’, ‘বদনাম’, ‘শাহজাদা’, ‘কন্যাবদল’, তাজ ও তলোয়া’, ‘কাবিন’, সোনার চেয়ে দামী, ‘ বাঁশিওয়ালা’, ‘সত্য-মিথ্যা’, পাহাড়ী ফুল, অশান্ত, ‘মালামতি’, ‘আবদুল্লাহ’।

প্রায় সব ছবিতেই নূতন বিশেষত্ব পেয়েছেন অপূর্ব নৃত্যশৈলীর কারণে। কীর্তনিয়া, শাস্ত্রীয়, কত্থক, ভারতনাট্যম, সর্পনৃত্য, বাউল, ফোক, আধুনিক, ওয়েষ্টার্ন-চরিত্র অনুযায়ী নানা ধরনের নৃত্য সমাহারে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন। তার প্রাণময়, গতিশীল নৃত্য সিনেমা দর্শকদের স্মৃতি থেকে একবিন্দু হারিয়ে যায়নি।

‘স্ত্রীর পাওনা’ চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য নূতন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন। তাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম বিএন প্রোডাকশন। তাঁর প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘চান সুরুজ’। এরপর ‘কাবিন’, ‘সাহস’, ‘রূপের রাণী গানের রাজা’, ‘নাচে নাগিন’, ‘শত্রু ধ্বংস’সহ বেশ কয়েকটি ছবি প্রযোজনা করেন তিনি।বর্তমানে চলচ্চিত্রে নিয়মিত না হলেও নিজেকে নায়িকাই মনে করছেন তিনি। এমনকি এই অভিনেত্রী নায়িকা হিসেবেই শেষ নিঃশ্বাস ছাড়তে চান ।

নায়িকা হয়েই মরতে চান নূতন!

আপডেট সময় : ০৩:৫০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ মে ২০২৪

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী যুগের জনপ্রিয় নায়িকা নূতন। মূল থেকে পার্শ্ব প্রায় তিন শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। সত্তর-আশির দশকে সুজাতা, সুচন্দা, কবরী, শাবানা, ববিতার ভীড়ে তিনিও এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে এসেছিলেন। মিষ্টি চেহারা আর নৃত্যব্যঞ্জনায় দর্শক পরিচিতি আর জনপ্রিয়তা পেতে সময় লাগেনি তার। দ্রুতই তাই সময় আর দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

স্বাধীনতার আগেই সিনেমাতে অভিষেক ঘটেছিল নূতনের। আকষর্ণীয় চেহারার এই তরুণীর তখন স্বপ্ন ছিল গায়িকা হওয়ার স্বপ্ন থাকলেও ৬৯ সালে মুস্তফা মেহমুদ পরিচালিত ‘নতুন প্রভাত’ ছবিতে তার অভিষেক ঘটলে স্বপ্নের পথ পাল্টে যায়। নতুন এক দরজাও যেন উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।

এরপর কত না ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ‘রাজনর্তকী’, ‘পাগলা রাজা’, ‘রাজলক্ষী শ্রীকান্ত’, ‘বসুন্ধরা’, ‘প্রাণসজনী’ ‘প্রেমবন্ধন’, ‘স্ত্রীর পাওনা’, ‘মানসী’, ‘রাজমহল’, অবিচার’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘বদলা’, ‘ননদভাবী’, ‘রাঙাভাবী’, ‘অলংকার’, ‘বদনাম’, ‘শাহজাদা’, ‘কন্যাবদল’, তাজ ও তলোয়া’, ‘কাবিন’, সোনার চেয়ে দামী, ‘ বাঁশিওয়ালা’, ‘সত্য-মিথ্যা’, পাহাড়ী ফুল, অশান্ত, ‘মালামতি’, ‘আবদুল্লাহ’।

প্রায় সব ছবিতেই নূতন বিশেষত্ব পেয়েছেন অপূর্ব নৃত্যশৈলীর কারণে। কীর্তনিয়া, শাস্ত্রীয়, কত্থক, ভারতনাট্যম, সর্পনৃত্য, বাউল, ফোক, আধুনিক, ওয়েষ্টার্ন-চরিত্র অনুযায়ী নানা ধরনের নৃত্য সমাহারে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন। তার প্রাণময়, গতিশীল নৃত্য সিনেমা দর্শকদের স্মৃতি থেকে একবিন্দু হারিয়ে যায়নি।

‘স্ত্রীর পাওনা’ চলচ্চিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য নূতন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন। তাঁর প্রযোজনা সংস্থার নাম বিএন প্রোডাকশন। তাঁর প্রযোজিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘চান সুরুজ’। এরপর ‘কাবিন’, ‘সাহস’, ‘রূপের রাণী গানের রাজা’, ‘নাচে নাগিন’, ‘শত্রু ধ্বংস’সহ বেশ কয়েকটি ছবি প্রযোজনা করেন তিনি।বর্তমানে চলচ্চিত্রে নিয়মিত না হলেও নিজেকে নায়িকাই মনে করছেন তিনি। এমনকি এই অভিনেত্রী নায়িকা হিসেবেই শেষ নিঃশ্বাস ছাড়তে চান ।