ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

পথ হারায়নি বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৭৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল সেকশনের উদ্বোধন করে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের কাছে আমার একটাই চাওয়া, সবাই যেন স্বাধীন দেশের আত্মমর্যাদা নিয়ে চলে। সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগকারী এবং দুর্বৃত্তদের প্রত্যাখ্যান করে।

তিনি বলেন, এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ পথ হারায়নি। আমরা একের পর এক বড় স্বপ্ন পূরণ করছি। দেশের জন্য আমার আরও অনেক পরিকল্পনা আছে। একটি উন্নত দেশ যা পেয়েছে, আমাদের দেশের মানুষও সব পাবে। আমরা জাতিকে শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখন আমাদের স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্ট জনসংখ্যা, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সোসাইটি। এটাই আমার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা। বাংলাদেশ কারও কাছে হাত পেতে চলবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে, বিজয়ী জাতি হিসেবে সারা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো।

শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় আগারগাঁও স্টেশনের উদ্বোধনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথমে স্বয়ংক্রিয় ট্রেনের টিকিট নিন (অস্থায়ী পাস-কার্ড)। কার্ড পাঞ্চ করার পর প্রধানমন্ত্রী ট্রেনের লাউঞ্জে প্রবেশ করেন। সেখানে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি। পতাকা নেড়ে ট্রেন চলার সংকেত দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা ট্রেনে চড়ে আগারগাঁও থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বাঙালি জাতির একটা উন্নত সমৃদ্ধ জীবন দেবেন বলেই এ দেশকে স্বাধীন করেছেন। আমার একটাই প্রত্যয়, আমি বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো। আমার আমিত্ব বলে কিছু নেই আমি আমাকে উৎসর্গ করেছি, এদেশের মানুষের কল্যাণে। মানুষ যখন শান্তি পাবে, তখন আমার বাবাও শান্তি পাবে, তিনি খুশি হবেন, তিনি নিশ্চয় সেটা দেখছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি খুবই আনন্দিত। যারা এ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ জানাই। জাপান সরকারকেও ধন্যবাদ জানাই। তারাও এই কাজে সম্পৃক্ত ছিল। এটি উন্নত প্রযুক্তির ও পরিবেশবান্ধব। ফলে সময় বাঁচবে, যানজট কমবে।

মেট্রোরেল থেকে নেমে মতিঝিল স্টেশনে আরেকটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেলে আরামবাগে আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।

 

পথ হারায়নি বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল সেকশনের উদ্বোধন করে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের কাছে আমার একটাই চাওয়া, সবাই যেন স্বাধীন দেশের আত্মমর্যাদা নিয়ে চলে। সন্ত্রাস, অগ্নিসংযোগকারী এবং দুর্বৃত্তদের প্রত্যাখ্যান করে।

তিনি বলেন, এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ পথ হারায়নি। আমরা একের পর এক বড় স্বপ্ন পূরণ করছি। দেশের জন্য আমার আরও অনেক পরিকল্পনা আছে। একটি উন্নত দেশ যা পেয়েছে, আমাদের দেশের মানুষও সব পাবে। আমরা জাতিকে শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখন আমাদের স্বপ্ন স্মার্ট বাংলাদেশ। স্মার্ট জনসংখ্যা, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সোসাইটি। এটাই আমার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা। বাংলাদেশ কারও কাছে হাত পেতে চলবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে, বিজয়ী জাতি হিসেবে সারা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো।

শনিবার (৪ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় আগারগাঁও স্টেশনের উদ্বোধনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রথমে স্বয়ংক্রিয় ট্রেনের টিকিট নিন (অস্থায়ী পাস-কার্ড)। কার্ড পাঞ্চ করার পর প্রধানমন্ত্রী ট্রেনের লাউঞ্জে প্রবেশ করেন। সেখানে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি। পতাকা নেড়ে ট্রেন চলার সংকেত দেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা ট্রেনে চড়ে আগারগাঁও থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বাঙালি জাতির একটা উন্নত সমৃদ্ধ জীবন দেবেন বলেই এ দেশকে স্বাধীন করেছেন। আমার একটাই প্রত্যয়, আমি বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো। আমার আমিত্ব বলে কিছু নেই আমি আমাকে উৎসর্গ করেছি, এদেশের মানুষের কল্যাণে। মানুষ যখন শান্তি পাবে, তখন আমার বাবাও শান্তি পাবে, তিনি খুশি হবেন, তিনি নিশ্চয় সেটা দেখছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি খুবই আনন্দিত। যারা এ কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন তাদের ধন্যবাদ জানাই। জাপান সরকারকেও ধন্যবাদ জানাই। তারাও এই কাজে সম্পৃক্ত ছিল। এটি উন্নত প্রযুক্তির ও পরিবেশবান্ধব। ফলে সময় বাঁচবে, যানজট কমবে।

মেট্রোরেল থেকে নেমে মতিঝিল স্টেশনে আরেকটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বিকেলে আরামবাগে আওয়ামী লীগের ঢাকা বিভাগীয় জনসভায় যোগ দেবেন তিনি।