ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে নোয়াখালী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ১৭৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

গত ৫ আগষ্ট, ২০২৪ ইং অনুমান বেলা ৩ ঘটিকার সময় নোয়াখালী সদর উপজেলা মাইজদী ইসলামীয়া রোড অবস্থিত সদ্য হস্তান্তরিত নতুন ভবন (সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন) এ ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এতে করে ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে ও ভবনের পেছনের সেফটি ট্যাংকের তিনটি লোহার ঢাকনা চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতিকারীরা।

পাশাপাশি বেলা ৩.৩০ ঘটিকার সময় মাইজদী জজ কোর্ট সংলগ্ন নোয়াখালী প্রেসক্লাবের দক্ষিনে (সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অফিস ২) হামলা ও ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মালামাল/কাগজপত্র দুস্কৃতিকারী কর্তৃক চুরির ঘটনা, অফিস ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে অফিসে সংরক্ষিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও মালামাল ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এতে প্রায় ১২০০ জন মুক্তিযোদ্ধার নথি, সরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড/চিঠিপত্র, জেলা মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমিতির চেক বহি, পাশবুক, জমা বই, ক্যাশ বই, শেয়ার ও আমানত বই, ১ টি ফটোকপি মেশিন, ১ সেট কম্পিউটার, বাইসাইকেল ১টা সহ অন্যান্য অফিস সরঞ্জামাদি ও বহু রেকর্ড পত্র লুটতোরাজ ও আগুনে পড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
বর্তমানে এ অফিস গুলো নিরাপত্তা ঝুঁকিত রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

উক্ত বিষয়ে গত ১৩/৮/২৪ ইং নোয়াখালী সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, সাবেক কামান্ডার মোঃ কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি ভুক্ত করা হয়।

ট্যাগস :

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে নোয়াখালী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

গত ৫ আগষ্ট, ২০২৪ ইং অনুমান বেলা ৩ ঘটিকার সময় নোয়াখালী সদর উপজেলা মাইজদী ইসলামীয়া রোড অবস্থিত সদ্য হস্তান্তরিত নতুন ভবন (সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন) এ ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এতে করে ভবনের বিভিন্ন ফ্লোরের জানালার কাঁচ ভেঙে পড়ে ও ভবনের পেছনের সেফটি ট্যাংকের তিনটি লোহার ঢাকনা চুরি করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতিকারীরা।

পাশাপাশি বেলা ৩.৩০ ঘটিকার সময় মাইজদী জজ কোর্ট সংলগ্ন নোয়াখালী প্রেসক্লাবের দক্ষিনে (সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অফিস ২) হামলা ও ভাঙচুরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় মালামাল/কাগজপত্র দুস্কৃতিকারী কর্তৃক চুরির ঘটনা, অফিস ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে অফিসে সংরক্ষিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও মালামাল ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এতে প্রায় ১২০০ জন মুক্তিযোদ্ধার নথি, সরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড/চিঠিপত্র, জেলা মুক্তিযোদ্ধা বহুমুখী সমিতির চেক বহি, পাশবুক, জমা বই, ক্যাশ বই, শেয়ার ও আমানত বই, ১ টি ফটোকপি মেশিন, ১ সেট কম্পিউটার, বাইসাইকেল ১টা সহ অন্যান্য অফিস সরঞ্জামাদি ও বহু রেকর্ড পত্র লুটতোরাজ ও আগুনে পড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
বর্তমানে এ অফিস গুলো নিরাপত্তা ঝুঁকিত রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

উক্ত বিষয়ে গত ১৩/৮/২৪ ইং নোয়াখালী সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড, সাবেক কামান্ডার মোঃ কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি ভুক্ত করা হয়।