ঢাকা ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে গাজার শিশুরা!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ১৬ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার শিশুরা অনাহারে মারা যাচ্ছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস সতর্ক করে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, খাদ্যের অভাবে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং মারাত্মক অপুষ্টিতে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক শিশু।

গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতালে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতার কারণে অন্তত ১৫ শিশু মারা গেছে। টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বলেছেন, গত বছরের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই সপ্তাহান্তে প্রথমবারের মতো আল-আওদা এবং কামাল আদওয়ান হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

হাসপাতালে পরিদর্শন করার পর তিনি ‘গুরুতর ফলাফল’ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১০ শিশু অনাহারে মারা গেছে এবং গাজার শিশুরা “অত্যন্ত অপুষ্টিতে ভুগছে”। হাসপাতাল ভবনও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াফা সোমবার জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরের একটি হাসপাতালে রবিবার আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, গাজার উত্তরাঞ্চলের শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে, অনাহারে মারা যাচ্ছে, জ্বালানি, খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট, হাসপাতাল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রায় ৩০০,০০০ মানুষ সামান্য খাবার ও পানীয় জল পাচ্ছে।

এদিকে রাফাহ শহরে ইসরায়েলি বোমা হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছে। খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে প্রিয়জনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন রাফাবাসী। এর আগে ইসরাইল রাফাহ শহরকে নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা করে ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে ফিলিস্তিনিরা সেখানে আশ্রয় নেওয়ার পর শহরটিতে হামলা আরও তীব্র হয়েছে। ফলে ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো শহরই আর নিরাপদ নয়। রাফার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা হিয়াম আল-ঘারিব বলেন, তাদের জন্য লজ্জা। তারা কেন এত রক্ত ঝরাচ্ছে?

তিনি বলেন, কেন? কেন তারা আমাদের উপর হামলা করছে? তারা যদি আমাদের ধ্বংস করতে চায়, তাহলে কেন তারা তা একবারের জন্য করছে না?

না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে গাজার শিশুরা!

আপডেট সময় : ০২:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

উত্তর গাজার শিশুরা অনাহারে মারা যাচ্ছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস সতর্ক করে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, খাদ্যের অভাবে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং মারাত্মক অপুষ্টিতে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে আরও অনেক শিশু।

গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার জানিয়েছে, কামাল আদওয়ান হাসপাতালে অপুষ্টি ও পানিশূন্যতার কারণে অন্তত ১৫ শিশু মারা গেছে। টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বলেছেন, গত বছরের অক্টোবরে সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই সপ্তাহান্তে প্রথমবারের মতো আল-আওদা এবং কামাল আদওয়ান হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

হাসপাতালে পরিদর্শন করার পর তিনি ‘গুরুতর ফলাফল’ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১০ শিশু অনাহারে মারা গেছে এবং গাজার শিশুরা “অত্যন্ত অপুষ্টিতে ভুগছে”। হাসপাতাল ভবনও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়াফা সোমবার জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরের একটি হাসপাতালে রবিবার আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, গাজার উত্তরাঞ্চলের শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভুগছে, অনাহারে মারা যাচ্ছে, জ্বালানি, খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকট, হাসপাতাল ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রায় ৩০০,০০০ মানুষ সামান্য খাবার ও পানীয় জল পাচ্ছে।

এদিকে রাফাহ শহরে ইসরায়েলি বোমা হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছে। খালি হাতেই ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে প্রিয়জনকে উদ্ধারের চেষ্টা করছেন রাফাবাসী। এর আগে ইসরাইল রাফাহ শহরকে নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা করে ফিলিস্তিনিদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

তবে ফিলিস্তিনিরা সেখানে আশ্রয় নেওয়ার পর শহরটিতে হামলা আরও তীব্র হয়েছে। ফলে ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো শহরই আর নিরাপদ নয়। রাফার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা হিয়াম আল-ঘারিব বলেন, তাদের জন্য লজ্জা। তারা কেন এত রক্ত ঝরাচ্ছে?

তিনি বলেন, কেন? কেন তারা আমাদের উপর হামলা করছে? তারা যদি আমাদের ধ্বংস করতে চায়, তাহলে কেন তারা তা একবারের জন্য করছে না?