ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ধামরাইয়ে নারী শ্রমিকের পোশাক কারখানার ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩ ১২ বার পঠিত

ধামরাই প্রতিনিধি:
ঢাকার ধামরাইয়ে একটি পোশাক কারখানার ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ সকাল আটটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা এলাকায় অবস্থিত স্নোটেক্স পোশাক কারখানার ২য় ভবনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিলা আক্তার বৃষ্টি (২১) রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ এলাকার বাচ্চু শেখের মেয়ে। তিনি ধামরাইয়ের পৌর এলাকায় ভাড়া থেকে স্নোটেক্স পোশাক কারখানার ২য় ভবনের ৬ষ্ঠ তালায় সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।
জানা যায়, সকাল ৬টার দিকে শিলা আক্তার বৃষ্টি স্নোটেক্স পোশাক কারখানা আসেন। এক ঘন্টার মত কাজও করেন তিনি। তার পর ছাদের গেইট ফাঁকা পেয়ে ছাদে উঠে যায়। পরে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নিচে পরে যায় শিলা আক্তার। খবর পেয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ আহত শিলা আক্তারকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের ধামরাই শাখার সভাপতি মোঃ রাসেল প্রমানিক বলেন, এই কারখানায় কম হলেও ১৫ থেকে ২০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন৷ আর এই সকল শ্রমিকদের মনমানসিকতা সবসময় এক হবে না এটাই স্বাভাবিক। কারো পারিবারিক সমস্যা থাকবে, কারো প্রেম সংক্রান্ত ঝামেলা থাকবে, কেউ হয়ত কারখানার লাইন ম্যানের বকাবকি শুনে ডিপ্রেশন হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে এরা কারখানার ছাদে গিয়ে যে কোন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটাতেই পারে। এটা কারখানা কর্তৃপক্ষেরই নজরে রাখতে হবে যেনো কোন শ্রমিক ছাদে উঠতে না পারে। কিন্তু এই ঘটনায় স্নোটেক্স পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলাই আমাদের নজরে আসছে। স্নোটেক্স পোশাক কারখানা এডি অপারেশন জয়দুল হোসাইন বলেন, ধামরাই থানার ওসি আসছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। আমাদের কারখানায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি ইচ্ছাকৃতভাবেই ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যা করেছেন।
একজন শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় ছাদে গিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করলো কারখানার কেউ দেখলো না বা ছাদে যেতে বাঁধা দিলো না, এখানে কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ছাদের গেইটে আমাদের সিকিউরিটি আছে। হয়ত সিকিউরিটিকে ফাঁকি দিয়ে সে ছাদে গেছে। এবিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে মেয়েটি তার নিজের ইচ্ছেতেই একাই ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই সম্পর্কের অবনতির কারণেই সে এই কাজ করেছে। এঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।

ধামরাইয়ে নারী শ্রমিকের পোশাক কারখানার ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩

ধামরাই প্রতিনিধি:
ঢাকার ধামরাইয়ে একটি পোশাক কারখানার ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ সকাল আটটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা এলাকায় অবস্থিত স্নোটেক্স পোশাক কারখানার ২য় ভবনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত শিলা আক্তার বৃষ্টি (২১) রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ এলাকার বাচ্চু শেখের মেয়ে। তিনি ধামরাইয়ের পৌর এলাকায় ভাড়া থেকে স্নোটেক্স পোশাক কারখানার ২য় ভবনের ৬ষ্ঠ তালায় সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন।
জানা যায়, সকাল ৬টার দিকে শিলা আক্তার বৃষ্টি স্নোটেক্স পোশাক কারখানা আসেন। এক ঘন্টার মত কাজও করেন তিনি। তার পর ছাদের গেইট ফাঁকা পেয়ে ছাদে উঠে যায়। পরে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে নিচে পরে যায় শিলা আক্তার। খবর পেয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ আহত শিলা আক্তারকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের ধামরাই শাখার সভাপতি মোঃ রাসেল প্রমানিক বলেন, এই কারখানায় কম হলেও ১৫ থেকে ২০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন৷ আর এই সকল শ্রমিকদের মনমানসিকতা সবসময় এক হবে না এটাই স্বাভাবিক। কারো পারিবারিক সমস্যা থাকবে, কারো প্রেম সংক্রান্ত ঝামেলা থাকবে, কেউ হয়ত কারখানার লাইন ম্যানের বকাবকি শুনে ডিপ্রেশন হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে এরা কারখানার ছাদে গিয়ে যে কোন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটাতেই পারে। এটা কারখানা কর্তৃপক্ষেরই নজরে রাখতে হবে যেনো কোন শ্রমিক ছাদে উঠতে না পারে। কিন্তু এই ঘটনায় স্নোটেক্স পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলাই আমাদের নজরে আসছে। স্নোটেক্স পোশাক কারখানা এডি অপারেশন জয়দুল হোসাইন বলেন, ধামরাই থানার ওসি আসছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। আমাদের কারখানায় সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বোঝা যাচ্ছে মেয়েটি ইচ্ছাকৃতভাবেই ছাদ থেকে পরে আত্মহত্যা করেছেন।
একজন শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় ছাদে গিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করলো কারখানার কেউ দেখলো না বা ছাদে যেতে বাঁধা দিলো না, এখানে কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলা আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ছাদের গেইটে আমাদের সিকিউরিটি আছে। হয়ত সিকিউরিটিকে ফাঁকি দিয়ে সে ছাদে গেছে। এবিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনার স্থল পরিদর্শন করেছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে মেয়েটি তার নিজের ইচ্ছেতেই একাই ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই সম্পর্কের অবনতির কারণেই সে এই কাজ করেছে। এঘটনায় তদন্ত চলমান রয়েছে।