ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশ বিক্রির যারা অভিযোগ তুলে তারাই বিক্রি হয়:প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ ১৮ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরের সময় যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন। সেটার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। বরং যাদের অভিযোগ তারাই বিক্রি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতীয় ট্রেন চলাচলের চুক্তির বিষয়ে যারা দেশ বিক্রির অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে শেখ হাসিনা বলেন, কিসের মাপে দেশ বিক্রি হচ্ছে, বিক্রিটা হয় কীভাবে?

শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চুক্তি নিয়ে সমালোচনা হবে কেন? এই চুক্তির ফলে আমি কীভাবে দেশ বিক্রি করলাম? স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছি। আমরা দেশ বিক্রির কোনো চুক্তি করিনি। শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির কোনো চুক্তি করে না।

তিনি বলেন, যারা সমালোচনা করেন তাদের জানা উচিত- একটি মাত্র মিত্রশক্তি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। বিশ্বে যারাই অন্য দেশকে স্বাধীনতায় সহযোগিতা করেছে, তারা কিন্তু ফেরত যায়নি। একমাত্র ভারত ব্যতিক্রম।

তিনি বলেন, ২১ ও ২২ জুন আমি রাষ্ট্রীয় দ্বিপাক্ষিক সফর করেছি। একই মাসে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দুবার দিল্লি সফর করা আমার জন্য নজিরবিহীন। এই সবই আমাদের দুই দেশের একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রমাণ বহন করে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের নতুন সরকার গঠনের পর এটি ছিল কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। একইসঙ্গে ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনের পর ভারতেও ছিল এটি প্রথমবারের মতো কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর। এটি অবশ্যই আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক বিশেষ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও নিকটতম প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সূচনা হয় তাকে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

দেশ বিক্রির যারা অভিযোগ তুলে তারাই বিক্রি হয়:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরের সময় যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ দেশ বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন। সেটার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা দেশ বিক্রি করে না, আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। বরং যাদের অভিযোগ তারাই বিক্রি হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকাল ১১টার দিকে গণভবনে সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতীয় ট্রেন চলাচলের চুক্তির বিষয়ে যারা দেশ বিক্রির অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে শেখ হাসিনা বলেন, কিসের মাপে দেশ বিক্রি হচ্ছে, বিক্রিটা হয় কীভাবে?

শেখ হাসিনা বলেন, ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চুক্তি নিয়ে সমালোচনা হবে কেন? এই চুক্তির ফলে আমি কীভাবে দেশ বিক্রি করলাম? স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছি। আমরা দেশ বিক্রির কোনো চুক্তি করিনি। শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির কোনো চুক্তি করে না।

তিনি বলেন, যারা সমালোচনা করেন তাদের জানা উচিত- একটি মাত্র মিত্রশক্তি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছে। বিশ্বে যারাই অন্য দেশকে স্বাধীনতায় সহযোগিতা করেছে, তারা কিন্তু ফেরত যায়নি। একমাত্র ভারত ব্যতিক্রম।

তিনি বলেন, ২১ ও ২২ জুন আমি রাষ্ট্রীয় দ্বিপাক্ষিক সফর করেছি। একই মাসে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দুবার দিল্লি সফর করা আমার জন্য নজিরবিহীন। এই সবই আমাদের দুই দেশের একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রমাণ বহন করে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের নতুন সরকার গঠনের পর এটি ছিল কোনো দেশে আমার প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর। একইসঙ্গে ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন-পরবর্তী সরকার গঠনের পর ভারতেও ছিল এটি প্রথমবারের মতো কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানের দ্বিপাক্ষিক সফর। এটি অবশ্যই আমার এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতামূলক বিশেষ সম্পর্কেরই বহিঃপ্রকাশ। ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও নিকটতম প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্পর্কের সূচনা হয় তাকে বাংলাদেশ সবসময়ই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়সহ উচ্চপর্যায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।