ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভিভো ভি৭০ এফই ও ভি৭০: পাওয়া যাচ্ছে প্রি-অর্ডারে Logo এই পহেলা বৈশাখে প্রথম ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে ৯০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি নিয়ে এলো অপো Logo ইনফিনিক্স নোট ৬০ প্রো: কম আলোতে মোবাইল ফটোগ্রাফির নতুন দিগন্ত Logo খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা Logo চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত বন্ধুত্বের: পানিসম্পদ মন্ত্রী Logo হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু Logo বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা Logo গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন ‘জিএইউ ধান-৪’: স্বল্পমেয়াদে উচ্চ ফলনে নতুন সম্ভাবনা Logo সন্ধ্যা ৬টার আগেই দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে। Logo মিলবে ছুটির সুযোগ টানা ৫ দিনের

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫ ৩০০ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক।। বৃহষ্পতিবার, ২৬.০৬.২৫

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। এটি আমদানি ব্যয় মেটাতে, মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখতে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে সহায়তা করে। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার জন্যও রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ।

একটি দেশের জন্য তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ বলে মনে করা হয়। এর মানে হলো, যদি কোনো দেশ তিন মাস ধরে কোনো পণ্য আমদানি করতে না পারে, তবে তাদের রিজার্ভ তাদের সেই সময়টুকু কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। সাধারণভাবে, একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যত বেশি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তত ভালো বলে মনে করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২৪ জুন) পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ২৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্দেশিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ২২৪ কোটি ৫৭ লাখ ডলার বা ২২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।

ট্যাগস :

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?

আপডেট সময় : ০৬:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক।। বৃহষ্পতিবার, ২৬.০৬.২৫

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নির্দেশ করে। এটি আমদানি ব্যয় মেটাতে, মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখতে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এবং বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে সহায়তা করে। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার জন্যও রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ।

একটি দেশের জন্য তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ বলে মনে করা হয়। এর মানে হলো, যদি কোনো দেশ তিন মাস ধরে কোনো পণ্য আমদানি করতে না পারে, তবে তাদের রিজার্ভ তাদের সেই সময়টুকু কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। সাধারণভাবে, একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যত বেশি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তত ভালো বলে মনে করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (২৪ জুন) পর্যন্ত দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা প্রায় ২৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্দেশিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ২২৪ কোটি ৫৭ লাখ ডলার বা ২২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।