ঢাকা ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দেশের ৩৪ লাখ পথশিশু বাবা-মায়ের যত্ন ছাড়াই বেড়ে উঠছে!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪ ২৬ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে সারা দেশে ৩৪ লাখেরও বেশি পথশিশু বাব-মায়ের যত্ন ছাড়াই জীবনযাপন করছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেনসিটিভ সোশ্যাল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ ফেইজ-২’ প্রকল্পের অধীনে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে।

সোমবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারিতে এক অনুষ্ঠানে গবেষণাপত্রের তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণাপত্রের বিভিন্ন সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, পারিবারিক ভাঙ্গনের মূল কারণগুলোকে লক্ষ্য করে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। পথশিশুদের শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা। তাদের প্রতি সহানুভূতি জানাতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। সরকার থেকে তহবিল বৃদ্ধি করা। পথশিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, সুশীল সমাজ, বিত্তবানদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে শিশু আইনের কিছু ধারা সংশোধন ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পথশিশুরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। রাতে তারা নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। যেসব শিশু দিনে পথে কাজ করে রাতে পরিবারের কাছে ফিরে যায়, তারাও নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়। মৌলিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হবে- এটা কাম্য নয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি বলেন, পথশিশুদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে এলে পথশিশুর সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে।

দেশের ৩৪ লাখ পথশিশু বাবা-মায়ের যত্ন ছাড়াই বেড়ে উঠছে!

আপডেট সময় : ০১:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে সারা দেশে ৩৪ লাখেরও বেশি পথশিশু বাব-মায়ের যত্ন ছাড়াই জীবনযাপন করছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেনসিটিভ সোশ্যাল প্রোটেকশন ইন বাংলাদেশ ফেইজ-২’ প্রকল্পের অধীনে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সুইডিশ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে।

সোমবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা গ্যালারিতে এক অনুষ্ঠানে গবেষণাপত্রের তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

গবেষণাপত্রের বিভিন্ন সুপারিশের মধ্যে রয়েছে, পারিবারিক ভাঙ্গনের মূল কারণগুলোকে লক্ষ্য করে সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। পথশিশুদের শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা। তাদের প্রতি সহানুভূতি জানাতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। সরকার থেকে তহবিল বৃদ্ধি করা। পথশিশুদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকার, উন্নয়ন সংস্থা, সুশীল সমাজ, বিত্তবানদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে শিশু আইনের কিছু ধারা সংশোধন ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পথশিশুরা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। রাতে তারা নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। যেসব শিশু দিনে পথে কাজ করে রাতে পরিবারের কাছে ফিরে যায়, তারাও নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়। মৌলিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হবে- এটা কাম্য নয়।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি বলেন, পথশিশুদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বিত্তবানরা এগিয়ে এলে পথশিশুর সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে।