ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাদাছড়ি দেখেও থামে না গাড়ি, মেলে না কাজ Logo বাংলাদেশের বাজারে অনার এক্স৭ই ও এক্স৬ই Logo পপুলার লাইফের ময়নমসিংহ অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৬ কোটি ৪৩ লক্ষ ১৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ উৎসব ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo লাওস-ভিয়েতনামে ক্যানসারের ওষুধ পাচার, চীনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ৪ Logo আইএমএফের ঋণ পেতে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী Logo পাকিস্তানে স্কুল ভবন ধস, নিহত ২১ Logo নওগাঁয় পাচারকালে আটক সার প্রকাশ্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি ॥ বিক্রিত অর্থ গেলো সরকারি কোষাগারে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পচা ডিম দিয়ে বেকারি পণ্য তৈরি জরিমানা ১ লক্ষ টাকা Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনলাইন জুয়া চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫ টি মোবাইল ফোন জব্দ Logo বাস্তবসম্মত এজেন্টিক এআই এক্সপেরিয়েন্স নিয়ে এলো টেকনোর ‘এলা ক্ল’

দুদকের মামলায় তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩ ২৭৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এতে মামলার ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন এবি ব্যাংকের এসএম মুসা করিম, ওবায়দুর রশিদ খান ও ইমরান আহমেদ।

পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। এরপর তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর আদালত গত ১৩ এপ্রিল পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। গত ২১ মে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দুদক ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করে। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন।

একইসঙ্গে ওই মামলায় জোবাইদাকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বছর হাইকোর্টের বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে জোবাইদা লিভ-টু-আপিল করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চের লিভ-টু-আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

দুদকের মামলায় তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এতে মামলার ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন এবি ব্যাংকের এসএম মুসা করিম, ওবায়দুর রশিদ খান ও ইমরান আহমেদ।

পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। এরপর তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর আদালত গত ১৩ এপ্রিল পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। গত ২১ মে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দুদক ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করে। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন।

একইসঙ্গে ওই মামলায় জোবাইদাকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বছর হাইকোর্টের বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে জোবাইদা লিভ-টু-আপিল করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চের লিভ-টু-আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।