ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আর্থিক ধাক্কা: বিপুল ক্ষতির আশঙ্কায় ভারতের ক্রিকেটাররা Logo সেতুর দায়, ভোক্তার বোঝা: চালের দাম বাড়ল ২০ টাকা Logo রাজাপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা Logo বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে উন্মোচিত হলো ১২০x জুমসহ অপো রেনো ১৫ সিরিজ ফাইভজি Logo রেডমি নোট ১৫ সিরিজের মোড়কে তিনটি নতুন স্মার্টফোন আনলো শাওমি Logo নতুন ইতিহাস সৃষ্টি: স্বর্ণের দামে Logo ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ Logo ১৯৯১ সালের নির্বাচন পরিস্থিতি ফিরে আসবে এবারের নির্বাচনে: নাহিদ ইসলাম Logo তারেকের শোডাউন ও নিরাপত্তা খরচের উৎস নিয়ে হাসনাত আবদুল্লার প্রশ্ন Logo জামায়াতের পলিসি সামিট: ৩০ দেশের প্রতিনিধির সমাবেশ

দশ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলেন ট্রাম্প

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ২০৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

সরকারি খরচ কমাতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যার মূল দায়িত্ব পালন করছেন ইলন মাস্ক। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রায় দশ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এসব কর্মীরা ফেডারেল জমি পরিচালনা থেকে শুরু করে সামরিক প্রবীণদের যত্ন নেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করতেন।জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র, জ্বালানি, ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স, কৃষি, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের কর্মীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মূলত প্রবেশনারি কর্মীদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।ট্রাম্প ও ইলন মাস্ক আরও ৭৫ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। যা ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন বেসামরিক কর্মীর প্রায় তিন শতাংশ।ট্রাম্প বলেছেন, ফেডারেল সরকারের আকার অনেক বড় হয়ে গেছে। অপচয় ও জালিয়াতির জন্য অনেক বেশি অর্থ নষ্ট হচ্ছে। সরকারের প্রায় ৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে এবং গত বছর ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি ছিল। পাশাপাশি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে দ্বিদলীয় চুক্তি রয়েছে।এদিকে দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতা গ্রহণের পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি অর্থ সাশ্রয় বা অপচয় বন্ধের দায়িত্ব দিয়েছেন ইলন মাস্ককে। এ জন্য সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) নামের একটি সংস্থার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। এরপর প্রতিদিনই অথবা প্রায় ঘণ্টারভিত্তিতে ইলন মাস্ক দাবি করছেন যে তার রাজস্ব কমান্ডো টিম আরও সরকারি জালিয়াতি খুঁজে পেয়েছে, আরেকটি অপচয়মূলক চুক্তি বাতিল করেছে অথবা একটি সম্পূর্ণ সংস্থা বাতিল করে দিয়েছে।মাস্কের সমর্থকরা বিশ্বাস করেন যে, প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ও নিছক ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে তিনি ফেডারেল ঘাটতি এমনভাবে কমাচ্ছেন যা বছরের পর বছর ধরে রাজনীতিবিদদের নজরে আসেনি। কিন্তু এই ব্যাখ্যায় একটি স্পষ্ট ভুল রয়েছে। কারণ সরকারি তথ্য পর্যালোচনা থেকে দেখা যাচ্ছে মাস্কের প্রচেষ্টা ব্যয়ের ক্ষেত্রে খুব কমই প্রভাব ফেলেছে।

ট্যাগস :

দশ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০২:২৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

সরকারি খরচ কমাতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। যার মূল দায়িত্ব পালন করছেন ইলন মাস্ক। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রায় দশ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এসব কর্মীরা ফেডারেল জমি পরিচালনা থেকে শুরু করে সামরিক প্রবীণদের যত্ন নেওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করতেন।জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র, জ্বালানি, ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স, কৃষি, স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের কর্মীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মূলত প্রবেশনারি কর্মীদের লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।ট্রাম্প ও ইলন মাস্ক আরও ৭৫ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। যা ২ দশমিক ৩ মিলিয়ন বেসামরিক কর্মীর প্রায় তিন শতাংশ।ট্রাম্প বলেছেন, ফেডারেল সরকারের আকার অনেক বড় হয়ে গেছে। অপচয় ও জালিয়াতির জন্য অনেক বেশি অর্থ নষ্ট হচ্ছে। সরকারের প্রায় ৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার ঋণ রয়েছে এবং গত বছর ১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার ঘাটতি ছিল। পাশাপাশি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে দ্বিদলীয় চুক্তি রয়েছে।এদিকে দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতা গ্রহণের পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারি অর্থ সাশ্রয় বা অপচয় বন্ধের দায়িত্ব দিয়েছেন ইলন মাস্ককে। এ জন্য সরকারি দক্ষতা বিভাগ (ডিওজিই) নামের একটি সংস্থার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। এরপর প্রতিদিনই অথবা প্রায় ঘণ্টারভিত্তিতে ইলন মাস্ক দাবি করছেন যে তার রাজস্ব কমান্ডো টিম আরও সরকারি জালিয়াতি খুঁজে পেয়েছে, আরেকটি অপচয়মূলক চুক্তি বাতিল করেছে অথবা একটি সম্পূর্ণ সংস্থা বাতিল করে দিয়েছে।মাস্কের সমর্থকরা বিশ্বাস করেন যে, প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা ও নিছক ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে তিনি ফেডারেল ঘাটতি এমনভাবে কমাচ্ছেন যা বছরের পর বছর ধরে রাজনীতিবিদদের নজরে আসেনি। কিন্তু এই ব্যাখ্যায় একটি স্পষ্ট ভুল রয়েছে। কারণ সরকারি তথ্য পর্যালোচনা থেকে দেখা যাচ্ছে মাস্কের প্রচেষ্টা ব্যয়ের ক্ষেত্রে খুব কমই প্রভাব ফেলেছে।