“তোফাজ্জল হত্যা মামলায় ২২ পলাতককে আটক করার নির্দেশ”
- আপডেট সময় : ০৩:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ১১১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ১০ মার্চ ২০২৬ ।।
ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পিবিআইয়ের দায়ের করা অভিযোগপত্র আদালতে গ্রহণ করা হয়েছে। আদালত সেই সঙ্গে পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা অভিযোগপত্র গ্রহণের পর এই আদেশ দেন।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী। আসামিদের মধ্যে আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ এবং ওয়াজিবুল আলম জামিনে রয়েছেন। জালাল মিয়া, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া কারাগারে রয়েছে। বাকি ২২ জন পলাতক। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী জানান, মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ অভিযোগপত্রে নারাজি জানানোর কথা ছিল, কিন্তু তিনি তা জমা দেননি। মামলার ইতিহাস অনুযায়ী, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছিল। তবে প্রক্টোরিয়াল টিম চার্জশিটের জবাব দিতে কোনো বিলম্ব উল্লেখ করেননি। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে মারধরের আগে হামলাকারীরা চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার পরিবারের কাছে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল। চাচা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তোফাজ্জলকে ক্রিকেটের স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটুনি দেয়। গুরুতর আঘাত এবং রক্তক্ষরণের ফলে তাঁর মৃত্যু হয়। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্রে এসব তথ্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ ছাড়া হলের প্রাক্তন প্রভোস্ট এবং ১৪ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যা পরে স্থগিত ছিল।
























